29.3 C
Dinajpur
Wednesday, April 24, 2019
Home Blog Page 44

পলিথিন কারখানায় আগুন

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক:: রাজধানীর লালবাগের পশ্চিম ইসলামবাগের বাগানবাড়ি এলাকার একটি পলিথিন কারখানায় আগুন লেগেছ। বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই কারখানায় আগুন লাগে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করছে। দুপুর ২টা পর্যন্ত আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের ডিউটি অফিসার এরশাদুল ইসলাম জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই কারখানায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে পলাশী, লাগবাগ ও আশপাশের ফায়ার সার্ভিসের ৯টি ইউনিট আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে। আগুন লাগার কারণ ও ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

আজ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক:: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী প্রতিনিধিরা সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। সংবিধান অনুযায়ী তাদেরকে শপথবাক্য পাঠ করান দশম সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বেলা ১১টার কিছু সময় পর শেরেবাংলা নগরের সংসদ ভবনের পূর্ব ব্লকের প্রথম লেভেলের শপথ কে এই শপথ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগেই সেখানে গিয়ে উপস্থিত হন একাদশ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল আওয়ামী লীগপ্রধান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ দলের নেতারা। নতুন এমপিরা একসঙ্গে সমস্বরে স্পিকারের সঙ্গে শপথবাক্য পাঠ করেন। সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করানোর আগে স্পিকার নিজেই শপথগ্রহণ করেন।
আজ শপথ নিয়েছেন আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের ২৮৮ সংসদ সদস্য। এছাড়া স্বতন্ত্র আরও তিন জনপ্রতিনিধিরাও সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

শপথের পর নবাগত এমপিরা স্পিকারের সামনে শপথ ফরমে স্বার করেন এবং গ্রুপ ছবি তোলেন।
এ অনুষ্ঠান কেনদ্র করে সকাল ১০টা থেকেই এমপিরা সংসদ ভবনে প্রবেশ করতে শুরু করেন। এমপিরাও হাত নেড়ে সংসদে প্রবেশ করেন। সব মিলে সংসদ ভবন এলাকায় একটা উৎসবমুখর পরিবেশের তৈরি হয়।
নিয়ম অনুযায়ী দুপুরে পার্লামেন্টারি বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখান থেকে দলনেতা নির্বাচিত হবেন। তারপর দলের নেতা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে বলবেন যে আমাদের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আছে সংসদে। তখন রাষ্ট্রপতিকে তিনি সরকার প্রধান করার অনুরোধ করবেন। তারপরেই গঠিত হবে নতুন সরকার।

এদিকে নির্বাচনে জয়ী হলেও শপথ নেননি বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। তারা ‘ভোট কারচুপি’ ও ‘অনিয়মের’ প্রতিবাদস্বরূপ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়ে সরকারের বৈধতা দেয়ার বিপে অবস্থান নিয়েছেন।
তবে সংবিধান অনুযায়ী-সংসদ অধিবেশন শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে তাদের শপথ নিতে হবে, তা না হলে তাদের সদস্যপদ বাতিল হয়ে যাবে। নতুন জনপ্রতিনিধিদের শপথ সামনে রেখে মঙ্গলবার নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন।

ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথের প্রস্তুতি নিতে সংসদ সচিবালয়কে চিঠি দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ হবে।
বর্তমান স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী একাদশ সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় তিনি আগে শপথগ্রহণ করেন। পরে স্পিকার হিসেবে তিনি নির্বাচিত অন্য সদস্যদের শপথ পড়ান।

সংবিধান অনুযায়ী-স্পিকার নিজেই নিজের শপথ পড়ান। শপথ শেষে চা বিরতি শুরু হয়ে গেছে। এর পর সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা বৈঠক করে নিজেদের সংসদ নেতা নির্বাচন করবেন। নতুন নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নামে গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সরকারিভাবে ফল ঘোষণা করা হয় মঙ্গলবার। গেজেট প্রকাশের দিন থেকে এক মাসের মধ্যে সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। আগামী ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত দশম সংসদের মেয়াদ আছে।

৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট ২৮৮ আসনে জয়লাভ করে। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ৭টি আসনে জয়ী হয়। মঙ্গলবার ২৯৮ সংসদ সদস্যের নামে গেজেট জারি করা হয়।

বাকি দুটির মধ্যে গাইবান্ধা-৩ আসনে একজন প্রার্থী মারা যাওয়ায় সেখানে নির্বাচন হয়নি। এ ছাড়া ব্রাণবাড়িয়া-২ আসনের তিনটি কেন্দ্রে পুনর্র্নিবাচন করতে হবে বলে সেখানে ফল স্থগিত রয়েছে।

বিকাশ অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখবেন যেভাবে

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক ::
গ্রাহককে নানান রকম সুবিধা এনে দিয়ে জনপ্রিয়তা পাওয়া মোবাইলভিত্তিক আর্থিক লেনদেন সেবা ‘বিকাশ’ অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখতে গ্রাহককে সচেতন হতে হবে। কিছুটা সচেতন হলেই মোবাইল অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ সরিয়ে নেওয়ার যে অপচেষ্টা অসাধু চক্র করছে তা বন্ধ করা সম্ভব।

বিকাশ অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত রাখার কিছু উপায় বা কৌশল রয়েছে। সে সম্পর্কে জানিয়েছেন বিকাশ লিমিটেডের হেড অব করপোরেট কমিউনিকেশনের জেনারেল ম্যানেজার শামসুদ্দিন হায়দার ডালিম।

১. ডিজিটাল জগতে যত ধরনের অ্যাকাউন্ট তা সবই পিন বা পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত করা হয়েছে। ডিজিটাল ওয়ালেটের ক্ষেত্রেও তাই। একটি মাত্র পদক্ষেপ নিয়েই অনেকাংশে মোবাইল অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখা সম্ভব। আর তা হলো পিন বা গোপন নম্বর কাউকে না জানানো। পিন নম্বর ছাড়া কোনোভাবেই এ মোবাইল অ্যাকাউন্টে লেনদেন সম্ভব নয়। তাই মোবাইল ওয়ালেটের পিন নম্বর গোপন রাখতে হবে।

২. প্রায়ই শোনা যায় কেউ ফোন করে বিকাশ কর্তৃপক্ষের পরিচয় দিয়ে বা অন্য কোনো প্রলোভন/হুমকি দিয়ে পিন নম্বর চেয়েছে। পরিচিত বা অপরিচিত নম্বর থেকে ফোন পেয়ে পিন নম্বর বা যেকোনো তথ্য শেয়ার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। যে পরিচয়ই দিক পিন নম্বর চাইলে বুঝতে হবে প্রতারক ফোন করেছে। বিকাশ কোম্পানি কখনো পিন নম্বর চাইবে না।

৩. অনেক গ্রাহক মুঠোফোনের হ্যান্ডসেটে বিকাশ অ্যাকাউন্টের নম্বর ও পিন নম্বর সেভ করে রাখেন, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পিন নম্বর, ইউজার আইডি মোবাইলে সংরক্ষণ করে রাখা উচিত নয়। মুখস্ত রাখাটাই সবচেয়ে সহজ উপায়। আর সবসময় লেনদেন শেষে অ্যাকাউন্ট থেকে লগআউট করতে হবে।

৪. অনেক ক্ষেত্রে প্রতারক নিজেকে সঠিক প্রমাণ করতে গ্রাহককে বলেন, মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হয়েছে। এসএমএস কোন নম্বর থেকে এসেছে তা যাচাই করে নেওয়া গ্রাহকের দায়িত্ব। এসএমএস এলেও নিজে ব্যালেন্স চেক না করে ভুল করে দেওয়া টাকা ফেরত পাঠাবেন না।

৫. যেসব গ্রাহকরা প্রতারণার শিকার হন তাদের ফোনে কথা বলতে বলতেই নির্দেশনা দেওয়া হয়। বলা হয়, এখন ১ চাপুন, এখন অ্যামাউন্ট দিন, পিন নম্বর দিন। ফোনের নির্দেশনা অনুসরণ করিয়ে আপনাকে দিয়েই আপনার অ্যাকাউন্টের টাকা প্রতারকের অ্যাকাউন্টে সরিয়ে নিতে পারেন। বিকাশ থেকে বলছি বা অন্য কোনো পরিচয় দিলেও তার নির্দেশনা অনুসারে ফোনের বাটন প্রেস করবেন না।

৬. ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমো বা অন্য কোনো মাধ্যমে খুব কাছের পরিচিত কেউ টাকা ধার চাইলে বা বিকাশ করতে বললে সঙ্গে সঙ্গে তা করবেন না। টাকা পাঠানোর আগে আসলেই তিনি টাকা ধার চেয়েছেন কি না, ফোন করে বা অন্য কোনো উপায়ে নিশ্চিত হয়ে নিন। কারণ আপনার পরিচিত ব্যক্তির ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার বা ইমোর তথ্যচুরি করে বা অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সেখানে ঢুকে আপনাকে টাকা পাঠাতে বলতে পারে। সাম্প্রতিককালে এমন ঘটনা ঘটতে দেখা গেছে।

৭. আর্থিক লেনদেনের সেবা হওয়ার কারণে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) নির্ভর অ্যাপ ইনস্টলমেন্টের ব্যবস্থা করে অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত করা হয়েছে। কোনো অবস্থাতেই কাউকেই ওটিপি নম্বর শেয়ার করবেন না বা ওটিপির ম্যাসেজ শেয়ার করবেন না।

নতুন তফসিলে নির্বাচনের দাবিতে ইসিতে ইসলামী আন্দোলনের চিঠি

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক:: একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফলাফল বাতিল এবং নতুন তফসিল চেয়ে ইলেকশন কমিশনে চিঠি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই।

বুধবার বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে কার্যালয়ে গিয়ে চিঠি পৌঁছে দেন। ইসি কার্যালেয়ের পত্র গ্রহণ শাখার সহকারী মোহাম্মদ আনিসুর রহমান চিঠি গ্রহণ করেন।

প্রতিনিথি দলে ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগ দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, মুক্তিযোদ্ধ পরিষদের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আবুল কাশেম, ইসলামী কৃষক-মজুর আন্দোলন সম্পাদক শহিদুল ইসলাম কবির।

পীর সাহেব চরমোনাই চিঠিতে বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীরা হাতপাখা প্রতীক নিয়ে ২৯৮ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। কিন্তু দূর্ভাগ্যের বিষয় ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে দেশের সকল আসনেই প্রশাসনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় পূর্ব দিন রাতেই মহাজোটের ক্যাডাররা ৩০-৭০% ব্যালট পেপারে নৌকার সীল মেরে ব্যালট বাক্স ভর্তি করে ফেলে।

সারাদেশে বিভিন্ন কেন্দ্রে হাতপাখার প্রার্থী ও কর্মীদের উপর হামলা চালায়। সেন্টার দখল করে। ভোট কেন্দ্রে এজেন্টদেরকে প্রবেশ করতে দেয়নি। অনেক কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদেরকে অপমান করে বের করে দেয়া হয়েছে। ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে মহাজোটের মার্কায় ভোট দিতে বাধ্য করা হয়। ভোটারদেরকে ভোট দানে বাধা প্রদান করে নৌকা ছাড়া অন্য কোন প্রতীকে ভোট দিতে দেয়নি। হাতপাখার এজেন্ট, ভোটার ও কর্মীদের মোবাইল নম্বর রেখে দিয়ে পরবর্তীতে দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়াও পোলিং এজেন্টদেরকে অপহরণ ও পুলিশ কর্তৃক অযথা গ্রেফতারসহ নানা অনিয়মের কারণে নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য। এ নির্বাচন কোনো ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। নির্বাচনের নামে প্রহসন ও জনগনের অর্থ অপচয়ের মাধ্যমে প্রতারনা করা হয়েছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনের প্রত্যাখ্যান করেছে।

ইসলামী আন্দোলন দাবি করছে, নির্বাচনের এই ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে দ্রুত সময়ে নতুন তফসিলে ঘোষণার মাধ্যমে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করা হোক।

বিশ্বজুড়ে ১০ জন ইসলামিক স্কলার মুসলামানের মধ্যে এরদোগান শীর্ষে

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক ::
সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বে সামাজিক ও ধর্মীয় অবস্থানের দিক দিয়ে অন্যতম ১০ জনকে নির্বাচন করে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। জর্ডানভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘দ্য রয়েল ইসলামিক স্ট্যাটিজিক স্টাডিজ সেন্টার’ প্রতি বছর ‘দ্য ওয়ার্ল্ডস ফাইভ হানড্রেড মোস্ট ইনফ্লুনসিয়াল মুসলিমস’ শিরোনামে সারাবিশ্বের প্রভাবশালী ও খ্যাতনামা মুসলিম ব্যক্তিত্বদের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। দীর্ঘ নির্বাচনপ্রক্রিয়া ও জরিপ পরিচালনার মাধ্যমে তারা এই তালিকা তৈরি করে।

বিশ্বজুড়ে এই ১০ জন ইসলামিক স্কলার মুসলামানদের মনে ইসলামিক চিন্তা ও দর্শনের বীজ বপন করে চলেছে। বছরজুড়ে বিশ্ব মুসলিমদের হৃদয়ে তাদের একটা শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। চলুন জেনে নেই- ২০১৮ সালের অন্যতম ১০ ইসলামি ব্যক্তিত্বের পরিচয়।

জর্ডানের রাজধানী আম্মানে অবস্থিত বেসরকারি এই রিসার্চ সেন্টারটি বিস্তর গবেষণাকর্মের পাশাপাশি বিগত ২০০৯ থেকে এ ধরনের তালিকা প্রকাশ অব্যাহত রেখেছে।

অন্যান্য বারের মতো ২০১৮-তেও তারা জরিপ চালিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ প্রভাবশালী মুসলিম ব্যক্তিত্বের তালিকা তৈরি করেছে। সাধারণত ৫০০ সদস্যের তালিকা থেকে প্রথম ধাপে সর্বাধিক প্রভাবশালী ৫০ জন ব্যক্তিত্ব নির্বাচনের পর দ্বিতীয় ধাপে তারচেয়েও অধিক প্রভাবশালী সেরা ১০জন ব্যক্তিত্বকে নির্বাচন করা হয়।

সে ধারাবাহিকতায় তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ২০১৮ সালের বিশ্বের সর্বাধিক প্রভাবশালী সেরা ১০জন মুসলিম ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। চলুন সংক্ষেপে জেনে নেই তাদের নির্ঘণ্ট ও পরিচয়।

রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান :
তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান সারাবিশ্বের সর্বাধিক প্রভাবশালী ১০জন মুসলিম ব্যক্তিত্বের তালিকায় প্রথমে রয়েছেন। ২০১৬ ও ২০১৭ সালের তালিকায় তিনি অষ্টম স্থানে ছিলেন। ৬২ বছর বয়সী এরদোয়ান মূলত রাজনৈতিক প্রতিপত্তি ও আধিপত্যের বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ প্রভাবশালী মুসলিম ব্যক্তিত্ব নির্বাচিত হয়েছেন। টানা ১১ বছর তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী থাকার পর ২০১৪ খ্রিস্টাব্দ থেকে তিনি তুরস্কের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

কিং সালমান বিন আবদুল আজিজ বিন আল সৌদ :
দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ। ২০১৬ ও ২০১৭-তে তিনি তৃতীয় স্থানে ছিলেন। ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণকারী সালমান ৮০ বছর বয়সে বাদশাহ হিসেবে থাকলেও মূলত তার ছেলে যুবরাজ মুহাম্মদ বিন সালমান সৌদির যাবতীয় ক্ষমতার অধিকারী (তিনি তালিকার ১৩ নম্বরে রয়েছেন।)। ২০১৫ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারিতে সৌদিতে বাদশাহর পদ গ্রহণকারী সালমান বর্তমানে মক্কার মসজিদুল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববির তত্ত্বাবধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

কিং আবদুল্লাহ (দ্বিতীয়) ইবনে আল হুসাইন :
এই তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন জর্ডানের রাজা কিং আবদুল্লাহ দ্বিতীয়। ২০১৭ ও ২০১৬ এর তালিকায় তিনি প্রথম হয়েছিলেন। ৫৪ বছর বয়সী এ রাজা রাজনীতি ও ঐতিহ্যবাহী বংশের বিবেচনায় তালিকায় স্থান পেয়েছেন। রাজত্বের পাশাপাশি বর্তমানে তিনি পার্শ্ববর্তী জেরুজালেমের বিভিন্ন অঞ্চলের দেখভালের দায়িত্বেও রয়েছেন।

আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি :
বিশ্বের প্রভাবশালী ১০জন মুসলিম ব্যক্তিত্বের তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছেন ইরানের ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব সাইয়েদ আয়াতুল্লাহ আলী আল-খোমেনি। গত দুই বছরের জরিপ-তালিকায় তিনি চতুর্থ স্থানে ছিলেন। ৭৭ বছর বয়সী এ ধর্মীয় নেতা রাজনীতি ও প্রশাসনিক ক্ষমতার কারণে তালিকায় স্থান পেয়েছেন। শিয়া মতাদর্শী খোমেনি বর্তমানে ইরান ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সবোর্চ্চ নেতা।

কিং মুহাম্মাদ ষষ্ঠ :
মরক্কোর রাজা কিং মুহাম্মদ ষষ্ঠ তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছেন। গত দুই বছরও তিনি একই স্থানে ছিলেন। ৫৩ বছর বয়সী এ রাজা রাজনীতি, প্রশাসনিক ক্ষমতা ও দেশীয় সার্বিক উন্নয়নের বিবেচনায় প্রভাবশালী মুসলিম ব্যক্তিত্বদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তিনি পারিবারিকভাবে সরাসরি মহানবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর বংশধর। গত ৪০০ বছর ধরে কিং মুহাম্মদের পূর্বপুরুষরা মরোক্কো শাসন করে আসছেন।

বিচারপতি শায়খ মুফতি মুহাম্মদ তাকি উসমানি :
বিশ্ববিখ্যাত স্কলার ও পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক মুফতি তাকি উসমানি রয়েছেন তালিকার ষষ্ঠ স্থানে। গত দুই বছরের তালিকায় তিনি ছিলেন ২২ নম্বরে। তার দেশ পাকিস্তান। ৭৩ বছর বয়সী বরেণ্য এই ব্যক্তিত্ব সামগ্রিক জ্ঞান-অভিজ্ঞানে অগাধ পাণ্ডিত্য, কর্মখ্যাতি ও পারিবারিক আভিজাত্যের বিবেচনায় তালিকায় স্থান পেয়েছেন। ইসলামী আইনশাস্ত্র ও অর্থনীতির অঙ্গনে মাইলফলকের ভূমিকা রয়েছেন দীর্ঘকাল ধরে। উর্দু, বাংলা, ইংরেজি ও আরবি ভাষায় তার গ্রন্থাদি রয়েছে।

সাইয়েদ আলী হুসাইন সিস্তানি :
এই তালিকার সপ্তম স্থানে রয়েছেন ইরানের শিয়া বিপ্লবী নেতা সাইয়েদ আলী হুসাইন সিস্তানি। ২০১৪, ২০১৫ ও ২০১৭ সালেও তিনি সপ্তম স্থানে ছিলেন। তবে ২০১৬ সেরা দশের বাইরে ছিলেন। ৮৬ বছর বয়সী এ ব্যক্তিত্ব শিক্ষাজ্ঞান ও বংশক্রমের বিবেচনায় এবারো শীর্ষ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

শায়খ হাবিব উমর বিন হাফিজ :
অষ্টম স্থানে রয়েছেন শায়খ হাবিব উমর বিন হাফিজ। তিনি ইয়েমেনের তারিমে অবস্থিত ‘দারুল মুস্তাফা’ সংস্থার পরিচালক। প্রিয় নবী (সা.)-এর জীবনীভিত্তিক বিভিন্ন রচনাকর্ম ও আয়োজনের কারণে তিনি বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণকারী এই ব্যক্তিত্ব তালিকায় এবারই প্রথম স্থান পেয়েছেন।

অধ্যাপক ড. শেখ আহমদ মুহাম্মদ আল-তৈয়ব :
২০১৭ সালে প্রথম ও ২০১৬ সালে দ্বিতীয় স্থানে থাকা মিশরীয় অধ্যাপক ড. শেখ আহমদ মুহাম্মদ আল-তৈয়ব এবার নবম স্থানে রয়েছেন। প্রশাসনিক কার্যক্রম ও ক্ষমতার কারণে তিনি তালিকায় স্থান পেয়েছেন। বর্তমানে তিনি আল-আজহার ইউনিভার্সিটির প্রধান শায়খ এবং আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদের গ্র্যান্ড ইমাম। এর আগে প্রায় সাত বছর আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ও মিশরের সর্বোচ্চ ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

শায়খ সালমান আল-আওদাহ :
তালিকার দশম স্থানে রয়েছেন সৌদির বিখ্যাত স্কলার ও শিক্ষাবিদ শায়খ সালমান আল-আওদাহ। তিনি এবারই প্রথম তিনি তালিকায় স্থান পেয়েছেন। তার জন্ম ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি। সৌদি রাজপরিবারের কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কথা বলায় ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর তিনি একবার গ্রেফতারও হয়েছিলেন। গ্রন্থকার হিসেবে তিনি বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন।

ধানের শীষে ভোট দেওয়ায় ৪ সন্তানের মাকে ‘আওয়ামী লীগ কর্মীদের গণধর্ষণ

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক:: নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গত (৩১ ডিসেম্বর) চার সন্তানের এক জননীকে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১০/১২ কর্মী মিলে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে।

গুরুতর আহত অবস্থায় নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৩৫ বছরের ওই নারীর অভিযোগ, নির্বাচনে বিএনপি’র ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ায় তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে।

চর জুবিলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য রুহুল আমীনের নেতৃত্বে এই পাশবিক কাজ করা হয়েছে বলে জানান ওই নারী। তিনি বলেন, “তারা আমাকে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য জোর করেছিলো, কিন্তু আমি তাদের কথা না শুনে ধানের শীষে ভোট দিয়েছি।”

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে রুহুল আমীন জানান, ওই নারী তার আত্মীয় এবং তাদের মধ্যে কোনো শত্রুতা নেই। তিনি আরও বলেন, “ভোটকেন্দ্রে কেবল একবার আমি তার (নারী) সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম।”

রুহুল আমীনের রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চাইলে, তিনি সুবর্ণচর আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানান।

ঘটনার বর্ণনায় ভুক্তভোগী নারী জানান, গতকাল মধ্যরাতের পর ১০ থেকে ১২ জন লোক হাতে লাঠিসোটা নিয়ে বেড়া কেটে তার বাড়িতে ঢুকে। তারপর তারা তার সিএনজি-চালিত অটোরিকশার ড্রাইভার স্বামী ও চার সন্তানকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে।

“এরপর তারা আমাকে বাইরে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে,” তীব্র ব্যথায় গোঙাতে গোঙাতে বলেন ওই নারী।

তিনি আরও বলেছেন যে, এ বিষয়ে মুখ খুললে তার স্বামী ও সন্তানদের মেরে ফেলা হবে এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছে ধর্ষণকারীরা।

ওই নারীর স্বামী (যিনি নিজেও আহত) জানান, আনুমানিক রাত চারটার দিকে তার স্ত্রীকে মারাত্মক আহত করে অচেতন অবস্থায় ফেলে রাখে এবং ৪০ হাজার টাকা, সোনার গয়না ও অন্যান্য দামী জিনিসপত্র নিয়ে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়।

এরপর, ওই নারীর স্বামী ও সন্তানের কান্নাকাটি শুনে প্রতিবেশীরা এসে তাদের উদ্ধার করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী বলেন, “প্রথমে গ্রামের একজন চিকিৎসককে ডাকা হয়। কিন্তু, ওই নারীর শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকায় দুপুরে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।”

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শ্যামল কুমার বিশ্বাস বলেন, তারা ধর্ষণের আলামত পেয়েছেন। ভুক্তভোগীর শরীরে একাধিক স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ওই নারীর স্বামী জানান, তার স্ত্রী গত রবিবার সকাল ১১টায় চর জুবিলী প্রাথমিকে বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে যান। সেখানে তিনি সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের কাছ থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে বুথে যেতে চান। ওই সময় আওয়ামী লীগের কর্মী রুহুল আমীন তাকে নৌকায় ভোট দেওয়ার জন্য জোর করেন। কিন্তু, তাকে (রুহুল আমীন) যখন বলা হয় যে ধানের শীষে ভোট দেওয়া হয়েছে, তখন তিনি ব্যালট পেপারটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু, এরমধ্যেই তার স্ত্রী ব্যালটটি বাক্সে ঢুকিয়ে দেন। এতেই রুহুল ক্ষেপে যান এবং দেখে নেওয়ার হুমকি দেন।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরীফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ধর্ষণের অভিযোগটি নিশ্চিত করেন, কিন্তু এটি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ঘটনা নয় বলে দাবি করেন। তবে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষকদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

চর জব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় একটি মামলা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বরাবর ইলিয়াস হাসানের বার্তা

0

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী!
আসসালামু আলাইকুম

আপনাকে বিনয়ের সাথে জানাচ্ছি
অপরাধের কোনো সংগঠন নেই, ধর্ম নেই, সীমানা নেই; সুতরাং আপনার দলের পরিচয় দিয়ে যারা ধর্ষণ ও খুনের মতো মহা অপরাধ করছে তাদেরকেও নিজের দলের মনে করবেন না। ওদের কারণে আপনার দলেরই বদনাম হচ্ছে।

যেভাবেই হোক, আপনি বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজয়ী! আপনি একজন মা। একজন পিতার সন্তান। একজন নারী। আপনিও বোঝেন হারানোর কী যন্ত্রণা!

১৭ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে দাবি করছি, ক্ষমতার নতুন সেশনের প্রথমদিকেই ন্যায়বিচারের ঐতিহাসিক নজির স্থাপন করুন।

নোয়াখালীর ঘটনা নিশ্চয় আপনার কানে পৌঁছেছে। ৪ সন্তানের জননীকে ওরা কতো নির্মমভাবে গণধর্ষণ করেছে, খুন করেছে।

৭১ এর পৈশাচিকতাকেও কি হার মানায়নি?

১৭ কোটি মানুষের হৃদয় কাঁদছে।
নিশ্চয় আপনিও সেই ১৭ কোটি মানুষের একজন।
এমনকি তারচেও বেশি।
আপনি এখন জাতির অভিভাবক।

ন্যায় বিচার চায় আপনার জনগণ।
ওদেরকে ফাঁসি দিয়ে ন্যায়বিচারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন।

বিনয়াবনত
১৭ কোটি শান্তিকামী মানুষের পক্ষে একজন সাধারণ মানুষ
ইলিয়াস হাসান
তারিখ : ০২/০১/১৯

সফলতা অর্জনে চাই ঈমানদারদের ঐক্য:মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজী

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক::
মুসলিম ও অমুসলিমের সফলতা একই পদ্ধতিতে আসে না। মুসলিমের সফলতা আসে ঈমান ও নেক আমলের উপর। চাই সংখ্যায় তারা যতই নগণ্য হোক না কেন। আর অমুসলিম ও জালিমের সফলতা আসে বাহ্যিক শক্তিমত্তা, সাহস ও ত্যাগ-তিতিক্ষার উপর।

তাই একজন অমুসলিম যখন আরেকজন অমুসলিমের বিরুদ্ধে লড়াই করে বা একজন জালিম যখন আরেকজন জালিমের বিরুদ্ধে লড়াই করে তো বাহ্যিকভাবে যে শক্তিশালী সাধারণত সেই বিজয়ী হয়। তবে একজন মুসলিমের অমুসলিম বা জালিমের বিরুদ্ধে বিজয়ের পূর্ব শর্ত হচ্ছে ঈমান ও নেক আমল।

পৃথিবীর শুরু থেকে অমুসলিমদের বিরুদ্ধে মুসলিমদের যতগুলো বিজয় এসেছে মুসলিমদের ঈমান ও নেক আমলের উপর ভিত্তি করেই এসেছে। আর প্রায় সব যুদ্ধেই অমুসলিমদের হাতে বাহ্যিক শক্তি বেশি ছিল। যে যুদ্ধে মুসলিমদের শক্তি ও সংখ্যা বেশি ছিল এবং মুসলিমরা মনে করেছে সংখ্যাধিক্যে তাদের বিজয় হবে; সে যুদ্ধেই মুসলিমরা প্রাথমিকভাবে পরাজিত হয়েছিল।

এ ছিল আল্লাহ পাকের পক্ষ থেকে এক শিক্ষা। কেননা, মুসলিমরা আল্লাহ পাকের কাছে পরকালের নেয়ামত আশা করে। প্রকারান্তরে অমুসলিমদের জন্য যদ্দূর চাওয়া-পাওয়া এই দুনিয়াতেই শেষ। পরকালে তাদের জন্য রয়েছে বেদনাদায়ক শাস্তি।

সুতরাং মুসলিমদের ব্যর্থতার যে যত কারণই বর্ণনা করুক না কেন, মূল কারণ ঈমানী দুর্বলতা ও নেক আমলের ঘাটতি। তাই শুধু ঐক্য হলেই হবে না, ঈমানদারদের ঐক্য লাগবে।

এ দেশের প্রচলিত রাজনৈতিক দলগুলো এখানে এসেই ভুল করে। নিজেকে মুসলিম দাবি করে আবার সাহায্য চায় মূর্তিপূজকদের কাছে। যদিও সাথে কিছু ইসলামী দল আছে; কিন্তু তাদেরকে রাখা হয়েছে স্বার্থ হাসিলের জন্য। কোন পরামর্শ গ্রহণ কিংবা দ্বীন প্রতিষ্ঠায় তাদেরকে কোন সাহায্য করার জন্য নয়। তাইতো এ কথা বলতে একটুও কষ্ট হয়না যে, প্রজাতন্ত্রের মালিক জনগণ, আমার দল শরিয়া আইনে বিশ্বাস করে না, ধর্ম যার যার উৎসব সবার।

এহেন অবস্থায় ইসলামী দলগুলোকে নতুন করে ভাবতে হবে। না হয় তাদের ধ্বংসের সঙ্গে সঙ্গে ইসলামী দলগুলো নিজেদের ধ্বংস করে ফেলবে। আর মনে রাখতে হবে আল্লাহ পাকের সেই বাণী- তোমরা হতাশ হয়ো না, চিন্তিত হয়ো না, তোমরাই বিজয়ী হবে যদি মুমিন হও।

জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে সরকার থেকে দাবী আদায়ে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে বসতে আগ্রহী চরমোনাই পীর

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক::
জাতীয় নির্বাচন বিষয়ে সরকার থেকে দাবী আদায়ে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সাথে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আলোচনা করতে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন দলটির আমীর চরমোনাই পীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে পুনর্নির্বাচনের দাবিতে আজ মঙ্গলবার (০১ জানুয়ারি) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চরমোনাই পীর বলেন, দেশের সচেতন জনগণ এবং যারা দেশের পক্ষে তাদের সঙ্গেই আমাদের ঐক্য হবে। দাবিগুলো এক হলে ঐক্যফ্রণ্টের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারি।

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনে জনগণের মতামতের কোনো প্রতিফলন ঘটেনি। তাই এই ফলাফল আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। নির্দলীয় সরকারের অধীনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি। দাবি মানা না হলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, যুগ্ম মহাসচিব এটিএম হেমায়েতউদ্দীন ও মাবুবুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইমতিয়াজ আলম, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ফজলে বারী মাসউদ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির ‘ভরাডুবি’ কী কী কারণে, জানালেন ওবাইদুল কাদের

0

ইসলাম বিডি ডেস্ক::
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি নেতাদের ভুলের জন্যই নির্বাচনে তাঁদের ভরাডুবি হয়েছে। মনোনয়ন বাণিজ্য, এজেন্ট দিতে না পারা ও নির্বাচনী প্রচারে অংশ না নেওয়া এই ভরাডুবির প্রধান কারণ। তাঁরা নির্বাচনের নামে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য নানা নাটক করেছেন।

সেতুমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে নির্বাচন–পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিএনপির পরাজয়ের বেশ কিছু কারণ উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী কাদের বলেন, বিএনপির প্রার্থীরা কোথাও তাঁদের পোস্টার-ব্যানার লাগাননি। তাঁরা নির্বাচনে পরাজয়ের আগেই হাল ছেড়ে দিয়েছিলেন। বাস্তবে সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার মতো তাঁদের কোনো প্রস্তুতি ছিল না। তাই এ নির্বাচনে তাঁদের পরাজয় ছিল অবধারিত। উদাহরণ দিতে গিয়ে বলেন, বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ নিজের কেন্দ্রে তাঁর ভোট দিতে যাননি। তাঁর বাড়ি থেকে মাত্র ৭০ গজের মধ্যে ভোটকেন্দ্র। যদিও তিনি তাঁর কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন।

ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমি অবাক হয়েছি যে বিএনপির মতো বড় একটি দলের সাংগঠনিক কোনো কাঠামো নেই। তারা সাংগঠনিকভাবে যে কতটা দুর্বল তা এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে বিএনপির ‘হেভিওয়েট’ প্রার্থীরাও এজেন্ট দিতে পারেননি। এ কারণে নির্বাচনে তাঁদের ভোটের এমন ফলাফল হয়েছে।

কবে নাগাদ নতুন সরকার গঠিত হতে পারে জানতে চাইলে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আশা করি, আগামী ১০ জানুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের আগেই সংসদ সদস্যগণ ও নতুন মন্ত্রিসভা শপথ নেবেন। নতুন বছরে আওয়ামী লীগের অঙ্গীকার কি হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নতুন বছরের অঙ্গীকার হচ্ছে এ নির্বাচনের মাধ্যমে আমাদের যে, ভুল-ভ্রান্তি ও সাংগঠনিক দুর্বলতা বুঝতে পেরেছি তা কাটিয়ে ওঠা।’

আওয়ামী লীগের বিজয়ের কারণ সম্পর্কে দলটির সাধারণ সম্পাদক বলেন, জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পক্ষে গণজোয়ারের প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারা দেশে যে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর তা আর কখনো দেখা যায়নি। এ নির্বাচনের রায়ে ’৭০ ও ’৫৪ সালের মতো গণজোয়ারের প্রতিফলন ঘটেছে। জাতীয় পার্টির সঙ্গে ঐকমত্যের সরকার হবে নাকি তারা বিরোধী দল হিসেবে থাকবে, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সরকার গঠনের সময় বিষয়টি দেখবেন। জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে এ বিষয়ে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।

বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সাংসদদের শপথ না নেওয়া ও তাঁদের আন্দোলন কর্মসূচির বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের বলেন, বিএনপির আন্দোলনের মতো অবজেকটিভ কন্ডিশন দেশে নেই। আর আন্দোলনে অংশ নেওয়ার মতো সাবজেক্টিভ প্রিপারেশনও তাদের নেই। আন্দোলনের সব সূত্র তাদের বিপক্ষে। তিনি বলেন, বিএনপির সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতাদের এত হতাশ ও বিমর্ষ দেখাচ্ছিল যে মনে হয় যেন তাঁরা নির্বাচনের ভরাডুবিতে ভেঙে পড়েছেন। এ অবস্থায় তাঁদের কর্মীরা কীভাবে আন্দোলন করতে আশাবাদী হবেন?

কাদের বলেন, আন্দোলন করতে হলে চেতনার দরকার হয়, আর তার সঙ্গে থাকতে হয় সাংগঠনিক প্রস্তুতি। তার কোনোটিই বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেই। এ ধরনের সামর্থ্য থাকলে তাঁরা নির্বাচনের ফলাফলের বিরুদ্ধে অন্তত একটি মিছিল হলেও করত। বিএনপির নেত্রী খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পরও তাঁরা কোনো ধরনের আন্দোলন করতে পারেননি। তিনি বলেন, বিএনপি তাদের ভাঙা হাট নিয়ে আন্দোলনের সক্ষমতা অর্জন করবে, এমনটা ভাবার কোনো কারণ নেই।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী জানতে চাইলে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা নির্বাচনী ইশতেহারে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা বাস্তবায়ন করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমরা আশা করি তাঁরা জনগণের রায়কে অসম্মান করবেন না। কারণ যাঁরা নির্বাচিত হয়েছেন তাঁরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন।’ তিনি বলেন, বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্ট সব সময় গণতন্ত্রবিরোধী ভূমিকা পালন করবে তা দেশের মানুষ যেমন মেনে নেবে না, তেমনি বিশ্বের অন্য নেতারাও তা মেনে নেবেন না। আর তারা (বিএনপি) গণতন্ত্র থেকে পিছিয়ে পড়লে দেশ পিছিয়ে যাবে।

নেতা-কর্মীদের প্রতি দলের কী আহ্বান থাকবে জানতে চাইলে কাদের বলেন, ধৈর্য ধরে বিজয়কে ধরে রাখতে হবে। কেউ যাতে কোনো ধরনের বাড়াবাড়ি না করে ও প্রতিপক্ষের ওপর কোনো ধরনের প্রতিহিংসামূলক কোনো কিছু না করে, সে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ সময় কাদের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের কর্মসূচি ঘোষণা করে বলেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এদিন সকাল সাতটায় রাজধানীর ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। একই দিন বেলা তিনটায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

Weather

Dinajpur
clear sky
29.3 ° C
29.3 °
29.3 °
48 %
1.7kmh
0 %
Wed
29 °
Thu
38 °
Fri
40 °
Sat
40 °
Sun
39 °