32.2 C
Dinajpur
Sunday, August 18, 2019
Home Blog Page 2

দিনাজপুরের লাখ লাখ চামড়া ভারতে পাচার

0

দিনাজপুর প্রতিনিধি: দিনাজপুরে চামড়া ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারনে এবারের ঈদ-উল-আযহায় পশুর চামড়া নিয়ে চরম বিপাকে ছিল কোরবানিদাতারা। বিগত বছরগুলোর মতো পাড়া-মহল্লায় ছিলনা মৌসুমি চামড়া ক্রেতাদের প্রতিযোগিতা। তারপরেও ক্ষুদ্র মৌসুমি ব্যবসায়ী যারা চামড়া কিনেছে তারাও হয়েছেন সর্বস্বান্ত। আর যারা ক্রেতার দেখা পাননি তারা নিজেই পশুর চামড়া বিক্রি করতে এসে পড়েছেন বিড়ম্বনায়। অনেকে চামড়া ফেলে দিয়েছেন। এলাকাভেদে এবার ৭০ হাজার থেকে লাখ টাকার ওপরে কেনা গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকায়। ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায়। আর ১০ থেকে ২০ হাজার টাকার ছাগলের চামড়া বিক্রি হয়েছে ১৫ থেকে ৩০ টাকায়।
ঈদ উপলক্ষে দিনাজপুর প্রধান চামড়ার বাজার রামনগর এলাকায়। এখানে সারা বছরই চামড়া কেনা-বেচা হয়। ভালো দামের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে দিনাজপুর এই চামড়ার আরতে চামড়া বিক্রি করতে এলেও অনেকেই গাড়ি ভাড়ার টাকাও তুলতে পারেননি। কম দামের বিষয়টি জানার পর মৌসুমি অনেক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা চামড়া কিনতে বেরই হননি।
জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে কোরবানির পশুর চামড়ার দর গত বছরেরটাই বহাল রেখেছে। এতে ঢাকার প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার কেনাবেচা হয় ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। আর ঢাকার বাইরে দাম নির্ধারিত হয় ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। সারাদেশে প্রতি বর্গফুট খাসির চামড়ার দর নির্ধারণ হয় ১৮ থেকে ২০ টাকা। আর এদিকে গরুর চামড়া বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকায়। ছাগলের চামড়া বিক্রি হচ্ছে নামমাত্র মূল্যে। অনেক এলাকায় খাসির চামড়া ফ্রিতেও দিতে দেখা গেছে।
স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিগত কয়েক দশকের মধ্যে এবারই চামড়ার দাম সবচেয়ে কম। দাম কম হওয়ার কারণ হিসেবে আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের দায়ি করছেন এই বিক্রেতারা। এদিকে কম দরে বেচাকেনা হওয়ায় লাখ লাখ চামড়া পাচারের শঙ্কার কথাও বলছেন অনেকে। এছাড়াও চামড়া বিক্রির যে টাকা তা থেকেও বঞ্চিত হয়েছে দরিদ্র ও অসহায় মানুষসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানসমূহ। এছাড়াও সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে।
মঙ্গলবার দিনাজপুরের প্রধান চামড়ার আড়ত রামনগরে চামড়া বিক্রি করতে আসা সদর উপজেলার তালেহিয়া লিল্লাহ বোডিং ও এলমুল কোরআন দ্বিনীয়া মাদ্রাসার সাধারন সম্পাদক মাওলানা মুসা কলিমুল্লাহ বাজারে চামড়া বিক্রি করতে না পেরে এমন কষ্টের কথা জানাচ্ছিলেন এই প্রতিবেদকের কাছে।
মাওলানা কলিমুল্লাহ জানান, মানুষের দানকরা অর্থ দিয়েই লিল্লাহ বোডিং-এর ছাত্রদের লেখাপড়া ও ভরণ-পোষন নির্বাহ করা হয়। আর এর সিংহভাগ অর্থ যোগান দেয়া হয় কোরবানীতে মানুষের দানকরা চামড়া বিক্রির অর্থ দিয়ে। প্রতিবছরের ন্যায় এবারও বেশকিছু চামড়া দান করেছে এলাকার মানুষ। ভ্যান ভাড়া করে বাজারে সেই চামড়া নিয়ে এসে বিক্রি হচ্ছে না। চামড়া বিক্রির টাকা তো দুরের কথা, ভ্যান ভাড়াটাই লস। চামড়া বিক্রি না হওয়ায় পরিশেষে চামড়া ফেলে দিয়ে ফিরে যান মাওঃ কলিমুল্লাহ। দিনাজপুর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী স্বপন বিক্রেতাদের চামড়া ফেলা দেয়ার কথা স্বীকার করে জানান, পশু জবাইয়ের ৭ ঘন্টার মধ্যে চামড়ায় লবন লাগাতে হবে তা না হলে চামড়া গুলি নষ্ট হয়ে যাবে। এদিকে সরকার নির্ধারিত চামড়ার যে দাম তার সাথে প্রতিটি চামড়ার প্রক্রিয়াকরণ খরচ হিসাব করলে চামড়ার বর্তমান দাম ঠিকই আছে। এছাড়া মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কারণেও চামড়ার বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অপর দিকে এক ব্যবসায়ী জানান চামড়া ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি জুলফিকার আলী স্বপন এর কথা সঠিক নয়। ঠান্ডা বাতাষে রাখলে ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত চামড়ার কোন ক্ষতি হবে না।
দিনাজপুর জেলায় এবার পশুর চামড়া কেনার প্রতিযোগিতামূলক ক্রেতা না থাকায় উপজেলার মানুষকে চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়তে দেখা গেছে। এখানে দেড় লাখ টাকা মূল্যের গরুর চামড়া ৬০০ টাকা উপর বিক্রি করতে পারেনি এবং সর্বনিম্ন ৩০০ টাকা বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়া ছাগলের চামড়ার দাম ছিল ১০ থেকে ২০ টাকা। এমনকি ক্রেতা না থাকায় গরুর চামড়ার সঙ্গে ছাগলের চামড়া ফ্রি দেয়া হয়েছে। চামড়ার এ দাম বিগত কয়েক বছরের তুলনায় একেবারেই কম। প্রতিবছর এ জেলায় স্থানীয় ভাবে দুই থেকে তিন কোটি টাকার চামড়া কেনাবেচা হলেও এবার দাম পড়ে যাওয়ায় একই পরিমাণ চামড়া মাত্র ৮০ লাখ থেকে এক কোটি টাকায় কেনাবেচা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী জানিয়েছেন। অনেক মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ী অনেক সর্তকতার সঙ্গে কম দামে চামড়া কিনেও শহরে বিক্রি করতে এসে বিপাকে পড়েন। লাভের আশায় ঘন্টার পর ঘন্টা চামড়া নিয়ে বসে থাকলেও আশানুরূপ দাম না পেয়ে কেনার চেয়ে অর্ধেক দামে চামড়া বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন তারা।
কয়েকজন চামড়া ব্যবসায়ী জানান, এবার চামড়ার বাজারদর পড়ে যাওয়ার রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। দিনের প্রথমভাগ থেকে বিকেল পর্যন্ত চামড়ার বাজারে বেচা-কেনা চললেও সন্ধ্যার পর থেকে যেন বেচা-কেনা থমকে দাঁড়ায়। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চামড়ার বাজার ক্রমেই কমতির দিকে যায় বলে এসব ব্যবসায়ী জানান। এবার কোরবানির পশুর চামড়া নামমাত্র দামে বিক্রি হয়েছে। এ জেলার ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীরা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ব্যবসায়ীক সিন্ডিকেটকে দায়ি করছেন। আর কোরবানিদাতারা বলছেন, এতে করে চামড়ার টাকার হকদার গরিব ও এতিমদের সুকৌশলে ঠকানো হচ্ছে। এ জেলা এবার বিপুল সংখ্যক পশু কুরবানি হলেও কোন পশুর চামড়াই সঠিক দামে বিক্রি হয়নি। অনেক এলাকায় বিগত বছরগুলোর মতো কোন ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ীকেই দেখা যায়নি। কোরবানি দাতারা গরুর চামড়া ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং ছাগলের চামড়া ১০ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছে। মোকামে চামড়ার দাম কম হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে অল্প দামে তা কিনতে হয়েছে। ফলে এবারও চামড়ার দাম খুবই কম

সিলেটে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, বিশেষ অভিযানে পুলিশ

0

সৈয়দ জুনাইদ আযহারী সিলেট প্রতিনিধি::
আগস্ট মাসে জঙ্গি হামলা বা বড় ধরণের কোন নাশকতা হতে পারে। হামলার টার্গেট হতে পারে জনবহুল স্থান, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবীদ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। এ লক্ষ্যে নাশকতাকারীরা কয়েকদিন আগে থেকেই অবস্থান নিতে পারে সিলেটে।’ এমন আগাম বার্তা পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে সিলেটের গোয়েন্দা ও পুলিশ প্রশাসন। সব ধরণের নাশকতা ঠেকাতে নানা কৌশলে মাঠে নেমেছে তারা।
গত বুধবার দিবাগত রাত থেকে শুরু হয়েছে বিশেষ অভিযান। নাশকতাকারী বা কোন জঙ্গি যাতে সিলেটে অবস্থান করতে না পারে সেজন্য চলছে আবাসিক হোটেল ও মেসে অভিযান। চৌকি বসিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে যানবাহন ও সন্দেহভাজন লোকজনদের। পুরো আগস্ট মাস জুড়ে এ অভিযান চলবে বলে জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।
সূত্র জানায়, ২৪ আগস্টের মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি হামলা হতে পারে এমন আগাম বার্তা আসে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে। হামলার সম্ভাব্য স্থানগুলোর মধ্যে একটি হতে পারে সিলেট। এমন তথ্যও রয়েছে গোয়েন্দা ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে। এর আগেও চারদলীয় জোট সরকারের আমলে আগস্ট মাসে সিলেটে একাধিকবার জঙ্গি হামলার ঘটনা ঘটেছিল। গ্রেণেড হামলায় হতাহত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগের অনেক নেতা। তাই এবার আগাম তথ্য পেয়ে জেলা ও মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতা গ্রহণ করা হয়। বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি মাঠে নামানো হয় ছদ্মবেশি ফোর্স। নজরদারি বাড়ানো হয় বাসটার্মিনাল, রেলওয়ে স্টেশন ও বিমানবন্দরে। কাউকে সন্দেহভাজন মনে হলেই খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে তার ব্যাপারে।
নাশকতাকারীরা বাইরে থেকে এসে সিলেটে হামলা চালাতে পারে এমন তথ্যও রয়েছে গোয়েন্দাদের কাছে। হামলার দু’একদিন আগ থেকে তারা অবস্থান নিতে পারে নগরীর কোন হোটেল বা মেসে। এমন তথ্য পাওয়ার পর গত বুধবার রাত থেকে সিলেট মহানগর পুলিশ সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে। রাতভর নগরীর বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও মেসে তল্লাশি চালিয়েছে। নগরীর প্রবেশদ্বার ও ব্যস্ততম সড়কগুলোতে যানবাহন ও সন্দেহভাজন লোকজনদের তল্লাশি করা হচ্ছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ জানান, নাশকতার আগাম তথ্য পাওয়ার পর থেকে আমরা সিলেটে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিক, গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিবীদ, সরকারি কর্মকর্তা ও বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোর দিকে বিশেষ নজর রাখছি। কেউ যাতে নাশকতার কোন সুযোগ না পায় সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি ছদ্মবেশেও আমাদের ফোর্স মাঠে কাজ করছে।
এদিকে, জেলা পুলিশের পক্ষ থেকেও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে সিলেট জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ফরিদ উদ্দিন জানান, আগস্ট মাস আসলেই স্বাধীনতাবিরোধীরা নানা ষড়যন্ত্র শুরু করে। অতীতেও তারা আগস্ট মাসে দেশে নাশকতামূলক কর্মকান্ড চালিয়েছে। এছাড়া বর্তমান বৈশিক পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলাজুড়ে বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি। বিভিন্ন স্থানে চৌকি বসিয়ে তল্লাশিও চালানো হচ্ছে।

সিলেটে চামড়ার দুর্গন্ধে দম ফেলা দায়

0

সৈয়দ জুনাইদ আযহারী সিলেট প্রতিনিধি::
সিলেটে এবারের ঈদুল আজহায় কোরবানীর পশুর বেশীরভাগ চামড়াই অবিক্রিত থেকে গেছে। ন্যায্য দাম না পেয়ে কোন কোন ব্যবসায়ী রাগে চামড়াগুলো মাটিতে পুঁতে ফেলেছেন, কেউ ফেলেছেন নদীতে আর কেউ কেউ বিক্রি করার জন্য এনে ফেলে রেখে গেছেন নগরীর বিভিন্ন রাস্তায়।
এই ফেলে যাওয়া চামড়াগুলো পঁচে সৃষ্টি হয় দুর্গন্ধ। তাই নগরী পরিস্কার ও দুর্গন্ধমুক্ত রাখার জন্য প্রায় ২০ ট্রাক পঁচা চামড়া নিয়ে ময়লার ভাগাড়ে ফেলে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। এতে নগরীর মানুষ লাববান হলেও বিপদে পড়েছেন পারাইরচকের ময়লার ভাগাড়ের সামনে দিয়ে যাতায়াতকারী ও আশপাশের মানুষ। এ চামড়াগুলো প্রায় ২ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দুর্গন্ধ ছড়িয়েছে।
সরাসরি ঐ এলাকায় গিয়ে দেখা যায় সিটি কর্পোরেশনের ময়লার ভাগাড়ের প্রায় ১ কিলোমিটার দুরত্বে অবস্থিত প্রগতি সিএনজি ফিলিং স্টেশন আর উল্টোদিকে আরো ১ কিলোমিটার দুরত্বে পীর হবিবুর রহমান চত্ত্বর। এই পুরো এলাকাজুড়ে এখন চামড়া পঁচা গন্ধ

Whatever They Told You About Pc Matic Review Is Dead Wrong…And Here’s Why

0

PC Matic really can help you get the absolute best of your PC. PERSONAL COMPUTER Matic stalls among the top antivirus security software software on the industry these days. Furthermore, PERSONAL COMPUTER Matic non-stop works to add to the operation of the computer.

PC Matic is quite user friendly, and it would give any use a simple enough time to start with of which. PC Matic is a kind of method optimization computer programs. PC Matic can repair your computer in a variety of means. LAPTOP OR COMPUTER Matic is an excellent tool for using your COMPUTER. PC Matic is a a single stop go shopping in regards to laptop security plus internet security. LAPTOP OR COMPUTER Matic https://antivirussoftwarereviews.org/pc-matic-review/ on the complete opposite hand is not as difficult.

What You Should Do to Find Out About Pc Matic Review Before You’re Left Behind

The ideal scooter for a exercises are the traditional design, instead of the electronic model, because the action involving pushing your self along the pavement is the ideal aerobic exercise workout and you will have the ability to use your lower body system muscles and other sections of your system also. Assessment a vehicle you desire very well. You’ll be able for you to secure a reduce price since they are more eager than you are. It’s easy to use and will fix a wide selection of issues in your PERSONAL COMPUTER and help enhance its quickness.

Not only does your current private computer look and perform far better, while you keep your LAPTOP OR COMPUTER well-maintained, in addition, you lengthen its lifespan. Personal computers don’t get older, they just simply become sluggish through lack of maintenance. Should your PC might be operating carefully, step one would be to purchase together with install more RAM storage.

What Does Pc Matic Review Mean?

You just have to download the software and even stick to the easy-to-understand actions. Can whole lot involving distinct antivirus security software software on the market. Therefore , for numerous, effective anti virus software might be all you desire. The software incorporates a rather quick installation of which walks customers throughout the course features because it installs. A variety of software out there gets outdated, which means you frequently need to make sure you are not trusting a new beta release, or a section of software that has not ever observed a new release. Of course that is a lot much easier to enable the application do it for everyone instead of setting up each activity by yourself. You are not sure regarding downloading software program from promoters.

At times, poorly built software programs leave remnants of data even when they’re removed. The program gives consumers with a good antivirus protection at a dependable price. There are lots of different malware programs available all giving a range of characteristics and remedies.

What You Must Know About Pc Matic Review

The interface appears darkish. The Commitment The whole ui is simple to be able to navigate, which means you don’t actually have to commit a good deal of period learning how to put it to use. Bear in mind you may not want or even use all of the elements of a web safety program selection. If you don’t love the idea, PC Matic provides a 30-day satisfaction guarantee, so there’s no risk when shopping for PC Matic. It’s rare that you locate an item that will in fact would go to bat suitable for you in regard to attempting to help you save cash. If you would like to find out to utilize Symantec products better, a selection of regarding education services are offered in the official Symantec site. It’s actual wonderful to find a software firm which is attempting to improve upon itself and keep the item updated.

ফুলবাড়ীতে বাড়ী ভাংচুরের মামলায় ইউপি সদস্য আটক

0

পিসি দাস: দিনাজপুরের ফুলবাড়ী থানা পুলিশ গত ১০ আগস্ট শনিবার বিকেলে উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউপির ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জাকারিয়া (৪৫) কে অন্যের বাড়ীতে অনধিকার প্রবেশ, বাড়ী ভাংচুরের অভিযোগে আটক করে। ফুলবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান, এক ব্যক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ ঐ ইউপি সদস্য কে আটক করা হয়।
এব্যাপারে তার বিরুদ্ধে ফুলবাড়ী থানায় একটি মামলা রেকর্ড করা হয়। মামলা নং ৯- তারিখ-১০.৮.২০১৯ইং।ধারা দন্ড বিধি আইনের  ১৪৩/৪৪৮-৩২৩/৪২৭,৩৮০,৩৫৪(৫০৬)২। আসামি কে আগামীকাল জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

আটক ইউপি সদস্য জাকারিয়া উপজেলার খয়েরবাড়ী ইউপির মুক্তারপুর (ডাঙাপাড়ার)মৃত মহসিন আলীর ছেলে।

স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ৪

0

ঈদের ছুটিতে ময়মনসিংহের ভালুকা থেকে নেত্রকোণার কলমাকান্দায় আত্মীয় বাড়িতে বেড়াতে আসার পথে খাবারের হোটেল কক্ষে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ (২১)। শুক্রবার রাতে সদর উপজেলার চল্লি­শা রাজেন্দ্রপুর বিসিক শিল্প এলাকায় ওই হোটেলের পাশের কক্ষে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে ধর্ষণ করাে ঘটনা হয়।৷ ধর্ষণের অভিযোগে ওই হোটেলের ব্যবস্থাপকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, হোটেলের ব্যবস্থাপক মাহফুজুল ইসলামও রফেমামুনমিয়া (৩৫), মো.সাইদুররহমান (৩০),জামানবাশার (২৭),রেজাউল করিম ওরফে পাবেল (২৮)।তাঁদের মধ্যে মামুন মিয়ার বাড়ি পূর্বধলার কৈলাটি গ্রামে। আর বাকি তিন জনের বাড়ি চলি­শা রাজেন্দ্রপুর এলাকায়। স্থানীয়বাসিন্দাও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকারওই গৃহবধূর গ্রামের বাড়ি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলারএকটি গ্রামে। তিনি স্বামীর সঙ্গে ভালুকা সিডস্টোরএলাকায় থাাকেন। তার স্বামী সেখানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি করেন। ঈদের ছুটিতে শুক্রবার বিকেলে তারা সেখান থেকে বাসে করে নেত্রকোণার কলমাকান্দায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়ানো উদ্দেশ্যে রওনা হন। ওই দিন রাত সাতটার দিকে তারা চলি­শা রাজেন্দ্রপুর বিসিকশিল্প এলাকায় নেমে পড়েন। এ সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ওই গৃহবধূকে স্বামী নিকটেই সারিন্দা নামে একটি ফাস্টফুড হোটেলে নিয়ে যান। নিরিবিলি পরিবেশে ওই হোটেলটির অবস্থান । পরে সেখানে ওই গৃহবধূ টয়লেট থেকে বের হলে তাকে হোটেলের ব্যবস্থাপকের সহাযোগিতায় এককর্মচারী একটি কক্ষে ডেকে নিয়ে নিয়ে জোর করে ধর্ষণকরেন। ওই কক্ষে তখন আরো পাঁচজন প্রবেশ করে ধর্ষণকরেন। এ সময় স্বামী অপরএকটিকক্ষেঅপেক্ষা করছিলেন।তিনি বিষয়টি টের পেয়ে প্রতিবাদ করতে চাইলে ওই যুবকেরা তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে কক্ষে বেঁধে রাখে। পরে বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখিয়ে রাত একটার দিকে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে ওই গৃহবধূকে তার স্বামী নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে রেখে নেত্রকোণা মডেল থানায় যান এবং পুলিশকে বিষয়টি জানান।পুলিশ অভিযান চালিয়ে শনিবার ভোর পযন্তহোটেলের ব্যবস্থাপকসহ চারজনকে আটক করে। এঘটনায়ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে শনিবার দুপুরের দিকে নেত্রকোণা মডেল থানায় ছয়জনকে আসামি করে নারী ও শিশু নিযাতন দমন আইনে মামলা করেন।মামলার আসামিরা হলেন, হোটেলের ব্যবস্থাপক মাহফুজুল ইসলামওরফে মামুনমিয়া (৩৫),চলি­শা রাজেন্দ্রপুর এলাকার মো.সাইদুর রহমান (৩০),জামান বাশার (২৭),রেজাউল করিমওরফে পাবেল (২৮), এনামুল হক (২৭),মো.জিহান (২৭) ও মো.রাসেল (৩০)। নেত্রকোণা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি তিন আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টাচলছে।আশা করা যাচ্ছে শিগিরই তাদেরকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।’

আসাম, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের অংশ: তুহিন মালিক

0

আসাম, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গ মূলত বাংলাদেশের অংশ বলে দাবি করেছেন বিশিষ্ট আইনজীবী ড. তুহিন মালিক। তিনি বলেন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের সময় ব্রিটিশদের কূটচালে এই রাজ্যগুলো বাংলাদেশের হাতছাড়া হয়।

তুহিন মালিক বলেন, ভারতের মতো বড় দেশে এই রাজ্যগুলো তাদের ন্যায্য অধিকার পায় না। তাই এই তিনটি ভারতীয় রাজ্যকে বাংলাদেশের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া উচিৎ। এতে রাজ্য তিনটির অভূতপূর্ব উন্নয়ন হবে বলে আমি আশা করি।

ভারতের আসাম রাজ্যের বিজেপির বিধায়ক হোজাই শিলাদিত্য দেব ‘বাংলাদেশ সৃষ্টি ছিল বড় ভুল’ উল্লেখ করে বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়া উচিত ছিল ভারতের’। বিজেপির এই বিধায়কের এমন বিতর্কিত মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে তুহিন মালিক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিলাদিত্য দেব ইতিহাস জানেন না। কার সম্পর্কে তিনি কী বলছেন এই বিষয়ে তার কাণ্ডজ্ঞান পুরোপুরি লোপ পেয়েছে। বাংলাদেশ সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করে তিনি মূলত আলোচনায় থাকতে চাইছেন। টাইমস্ অব ইন্ডিয়া থেকে শুরু করে বাংলাদেশের গণমাধ্যমও তার বক্তব্য প্রচার করেছে। তিনি মূলত এটাই চান।

‘শিলাদিত্য বাবুদের জানা উচিৎ আসাম, ত্রিপুরা এবং পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের অংশ। এখানকার ভাষা এবং সংস্কৃতির অনেক মিল রয়েছে। এই রাজ্য তিনটি বাংলাদেশের অংশ ছিল। ব্রিটিশরা কূটচাল করে রাজ্য তিনটিকে ভারতের করে দিয়েছে। কিন্তু এতে তারা অবহেলার বদলে কিছু পায়নি। ভারত এই রাজ্য তিনটির উন্নয়নে তেমন কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। এখন তাদের উচিৎ বাংলাদেশের অন্তর্ভূক্ত হওয়া। এতে তাদের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হবে’, বলেন তুহিন মালিক।

তিনি বলেন, কুড়িগ্রামের ছিটমহলের কথাই ধরুন। বাংলাদেশ অংশে অনেক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু ভারতীয় অংশে কোন উন্নয়ন হয়নি। ভারতীয় অংশে বাংলাদেশ থেকে যারা গেছে তারা এখন আফসোস করছে। এসব খবর বিবিসি সহ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে আসছে। তাই বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্য করার আগে এসব শিলাদিত্যদের মতো মূর্খদের কয়েকবার ভাবা উচিৎ।

‘এ আমার একমাত্র ছেলে, যদিও এখনো একেবারেই শিশু কিন্তু ও যেন বড় হয়ে বন্দুক হাতে নিতে পারে তেমনভাবেই ওকে তৈরি করবো-কাশ্মীরী এক বাবা

0

ভারত শাসিত কাশ্মীরে শুক্রবারের বিক্ষোভের পর থেকেই সেখানে কারফিউ বহাল আছে। গোটা রাজ্য অবরুদ্ধ, কিন্তু তার মধ্যেই বিবিসির কয়েকজন সাংবাদিক যেতে পেরেছেন শ্রীনগরে, তারা দেখতে পেয়েছেন সেখানকার মানুষের মধ্যে কতটা ক্ষোভ-ক্রোধ জমা হয়েছে।

বিবিসির গীতা পান্ডে কথা বলতে পেরেছেন শ্রীনগরে বেশ কয়েকজন কাশ্মীরির সাথে। ’- শিশুপুত্রকে কোলে নিয়ে আমার সাথে কথা বলছিলেন এক যুবক। তিনি বললেন, তিনি নিজেও ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য বন্দুক হাতে তুলে নিতে প্রস্তুত।

জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের রাজধানী শ্রীনগরের পথে পথে এখন চলছে সেনা টহল ও তল্লাশি, দোকানপাট বন্ধ, জনজীবন স্তব্ধ। আমাদের একেবারে কাছেই পুলিশ দাঁড়ানো। কিন্তু তারা যে এসব কথা স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছে – ব্যাপারটা পাত্তাই দিলেন না যুবকটি, এতই ক্ষেপে আছেন তিনি।

ভারতের সংবিধান থেকে কাশ্মীর রাজ্যের স্বায়ত্বশাসন দানকারী ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার পর থেকে রাজ্যটি কার্যত অবরুদ্ধ এবং বিচ্ছিন্ন অবস্থায় আছে। টেলিফোন-ইন্টারনেট সংযোগ ছিন্ন, রাজনৈতিক নেতা সহ শত শত লোক গৃহবন্দী বা আটক অবস্থায় আছেন। তবে তার মধ্যেও সেখান থেকে বিক্ষিপ্ত বিক্ষোভ-সহিংসতার খবর আসছে।

শ্রীনগরের একটি সরু গলি থেকে বের হয়ে এলেন কয়েকজন লোক। তাদের মধ্যে বয়স্ক একজন বললেন, তারা দিন কাটাছেন সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ অবস্থায়। তাদের ভাষায় সরকার যা করেছে তা হচ্ছে ‘চরম গুণ্ডামি।’

আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা এসে আমাদের সরিয়ে দেবার চেষ্টা করলো। কিন্তু এই লোকেরা সরতে রাজী নন। তারা আঙুল তুলে পুলিশের দিকে চিৎকার করতে লাগলেন, তোমরা দিনের বেলা আমাদের আটকে রাখছো, রাতের বেলাও আটকে রাখছো। পুলিশ তাদের বলতে লাগলো, কারফিউ জারি আছে, আপনারা এক্ষুণি ঘরের ভেতর ঢুকে যান। আমাদেরও বলা হলো এখান থেকে চলে যেতে।

কারফিউ জারি থাকলেও, শুক্রবার নামাজের জন্য লোকজনকে মসজিদে যাবার সুযোগ করতে দিতে নিরাপত্তা শিথিল করা হয়। এ সময় শ্রীনগরে হাজার হাজার লোক বিক্ষোভে যোগ দেয়। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ওপর ছররা গুলি এবং টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে বলে খবর পাওয়া যায়। প্রায় এক সপ্তাহ হলো, রাজ্যের সাবেক দুই মুখ্যমন্ত্রী, এবং একজন এমপি গৃহবন্দী।

বুধবার দিল্লি থেকে বিমানে শ্রীনগর এসে নেমেছেন রিজওয়ান মালিক। তার ৪৮ ঘন্টারও কম সময় আগে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করার কথা ঘোষণা করেছিলেন। রিজওয়ান মালিক জানালেন, রোববার সরকার ইন্টারনেটসহ সকল যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ করে দেবার কয়েক ঘন্টা আগে তিনি তার বাবা-মার সাথে শেষ কথা বলেছিলেন। এর পর যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তিনি আর কারো সাথেই কথা বলতে পারছিলেন না। তখন তিনি সিদ্ধান্ত নেন, শ্রীনগর ফিরে যাবেন। ‘কারো সাথেই কোনভাবে যোগাযোগ করার উপায় নেই – আমি জীবনে কখনো এমন অবস্থা দেখিনি।’- বলছিলেন রিজওয়ান। রিজওয়ান বলছিলেন, তিনি বিচ্ছিন্নতাবাদে বিশ্বাসী নন, কখনো সৈন্যদের দিকে একটি ঢিলও ছোঁড়েননি। তিনি ভারতের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন, জীবনে উন্নতি করাই ছিল তার লক্ষ্য। কিন্ত এখন যা হচ্ছে তা তিনি মানতে পারছেন না।

‘ভারত যদি আমাদের এটা বিশ্বাস করাতে চায় যে এটা একটা গণতান্ত্রিক দেশ, তাহলে তারা আমাদের বোকা ভাবছে। কাশ্মীরের সাথে বাকি ভারতের সম্পর্ক সব সময়ই অস্বস্তিকরা ছিল, কিন্তু এই বিশেষ মর্যাদাই ছিল এ দুয়ের মধ্যে সেতুর মতো। সেটা বাতিল করে আমাদের আত্মপরিচয় কেড়ে নেয়া হয়েছে, কোন কাশ্মীরির কাছেই এটা গ্রহণযোগ্য নয়’- বললেন রিজওয়ান মালিক। তিনি বললেন, এই অবরোধ যখন উঠবে, আর বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নামতে পারবে তখন প্রতিটি কাশ্মীরি তাদের সাথে যোগ দেবে। তিনি বলেন,‘বলা হতো, এখানে সব পরিবারেই এক ভাই যদি বিচ্ছিন্নতাবাদী হয়, তো আরেক ভাই ভারতের মূলধারার পক্ষে। এখন ভারতের সরকার দু ভাইকে এক করে দিয়েছে।’

রিজওয়ানের বোন রুখসার রশিদ, বয়েস ২০। তিনি কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপত্যের ছাত্রী। তিনি বলছিলেন, টিভিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা শোনার পর তার হাত কাঁপছিল, আর তা মা পাশে বসে কাঁদতে শুরু করেছিলেন। তিনি বললেন, আমার মা বলছিলেন এর চেয়ে মৃত্যুও ভালো। ‘আমি এখন ঘুমের মধ্যে আঁতকে উঠি। আমার দাদা-দাদীরা বাটমালু এলাকায় থাকেন। তারা বলছেন, এটা এখন আফগানিস্তান হয়ে গেছে।’

ভারতের সরকার অবশ্য দেখানোর চেষ্টা করছে যে কাশ্মীরে সবকিছুই ঠিক আছে। বুধবার টিভি চ্যানেলগুলোতে দেখানো হয় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল ‘জঙ্গিবাদের উর্বর ক্ষেত্র’ বলে কথিত শোপিয়ান শহরে কয়েকজন লোকের সাথে মধ্যাহ্নভোজ সারছেন। কিন্তু কাশ্মীরিরা বলছেন, এটা একটা স্টান্ট ছাড়া আর কিছুই নয়।

‘লোকে যদি এতই খুশি হবে তাহলে কারফিউ জারি করতে হলো কেন? সব যোগাযোগ বন্ধ করে দিতে হলো কেন?’ প্রশ্ন করলেন রিজওয়ান মালিক। পুলওয়ামার বাসিন্দা আইনজীবী জাহিদ হোসেইন দার। তিনি বললেন, ‘কাশ্মীর এখন অবরুদ্ধ। কিন্তু যে মুহূর্তে এটা উঠে যাবে, তখনই শুরু হবে গোলমাল।’

বিবিসির এই প্রতিবেদন বলেন, ‘ভারতের কিছু সংবাদ মাধ্যম বলছে, কাশ্মীরে এখন পর্যন্ত বড় কোন বিক্ষোভ হয়নি -যার অর্থ লোকে সরকারের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়েছে। কিন্তু যে কাশ্মীর আমার চোখে পড়লো, তা ভেতরে ভেতরে ফুঁসছে। আমি গত ২০ বছরের বেশি সময় ধরে এই অঞ্চল দেখছি, কিন্তু এবার যে ক্ষোভ-ক্রোধের বহি:প্রকাশ দেখলাম তা নজিরবিহীন।’ তিনি আরো বলেন, এখানকার লোকদের ন্যূনতম চাওয়া হচ্ছে এই – সরকারকে এ আদেশ বাতিল করতে হবে, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে হবে। অবশ্য মোদি সরকারকে সিদ্ধান্ত নিয়ে পিছিয়ে আসার পত্র বলে মনে করা হয় না। কাশ্মীরের লোকেরাও মোদির ‘নতুন যুগের সূচনার’ কথা শুনে পিছু হটতে তৈরি নয়।

শ্রীনগরের একটি হাইস্কুলের ছাত্রী মুসকান লতিফ বলছেন, এখনকার অবস্থাটা আসলে ঝড়ের আগেকার শান্ত অবস্থার মতো।‘সাগর শান্ত, কিন্তু সুনামি আঘাত হানলো বলে’ – বলছিলেন তিনি।

জামাই শ্বাশুড়ীর প্রেম, এক লাখ দশে আপোষ

0

পঞ্চগড়ের আটোয়ারীতে জামাই-শ্বাশুড়ীর প্রেম, এক লাখ দশে আপোষ। ঘটনাটি ঘটেছ আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের কালীবাড়ি গ্রামে। জানা গেছে,বার আউলিয়া স্কুলপাড়া গ্রামের টেঙ্গাই মোহাঃ এর ছেলে তছলিম উদ্দীন (৫০), একই গ্রামের কালী বাড়িতে বিয়ে করেন। বর্তমানে তিনি দুই সন্তানের জনক। শ্বশুড় বাড়ীতে নিয়মিত যাতায়াত করার সুবাধে চাচাশ্বশুর আকালুর স্ত্রীর প্রতি কুনজর পড়ে জামাইর, শুরু হয় প্রেম।

আপত্তিকর অবস্থায় জনতার হাতে আটক হয়ে মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে আপোষের বৈঠকে ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় জামাইকে। জামাই শ্বাশুড়ীর প্রেমের ঘটনাটি জনমতে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি করেছে। এ ব্যাপারে মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ওমর আলী জানান, জামাই তছলিম ও শ্বাশুড়ী আকলিমার ঘটনাটি আমি আপোষ করে দিয়েছি। তবে টাকা-পয়সা লেন-দেনের ঘটনাটি সত্য নয়।

হজের খুতবায় যা বললেন শায়খ মুহাম্মদ বিন হাসান পবিত্র মক্কা ও মদিনা থেকে মিনায় ২০ লাখ হজযাত্রীর রওনা দেওয়ার মধ্য দিয়ে শনিবার শুরু হয় হজের আনুষ্ঠানিকতা। মক্কার অদূরে মিনার আরাফাত ময়দানে জড়ো হয়ে ২০ লাখ মুসল্লির কন্ঠে ধ্বনিত হয় ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’। আরাফাত ময়দানে চলতি বছর হজের খুতবা দিয়েছেন সৌদি আরবের বিশিষ্ট আলেম, শায়খ মুহাম্মদ বিন হাসান আলে আশ-শায়খ। তিনি সৌদি আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ এবং গবেষণা-মুফতি বোর্ডের সদস্য। পাশাপাশি খাদেমুল হারামাইন শরিফাইন হাদিস কমপ্লেক্সর পরিচালক। খুতবার শুরুতে তিনি, আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা, রাসূলুল্লাহর সা. ওপর দরুদ পাঠ করেন। উপস্থিত হাজীদের সুস্থতা কামনা করেন। তাদের জন্য দোয়া করেন। খুতবায় রাসূলের সা. একটি হাদিস পড়েন, যার মূলকথা হলো- কোনো মুসলমানের যদি সক্ষমতা অর্জন হয়, তাহলে জীবনে একবার হলেও তাকে অবশ্যই হজ করতে হবে। শায়খ মুহাম্মদ বিন হাসান বলেন, তাওহিদ ও খতমে নবুওয়তের সাক্ষী ইসলামের মৌলিক রোকন। এছাড়াও নামাজ ও জাকাত ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান। জাকাতের মাধ্যমে গরিব অসহায়দের ব্যাপক কল্যাণ সাধিত হয়। হজের খুতবায় আরও বলা হয়, আল্লাহ তায়ালার হুকুম কখনও পরিবর্তন হয় না। আল্লাহ তায়ালা মানুষ এবং জীন জাতিকে তার ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন। এ জন্য তাওহিদ ও আল্লাহর একত্ববাদের বিষয়টি আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে। মুসলিম উম্মাহর মুক্তির উপায় উল্লেখ করে শায়খ মুহাম্মদ বিন হাসান এ বছরের হজের খুতবায় বলেন, পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালার রহমতের কথা বারবার বলা হয়েছে। আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরাই মুক্তির একমাত্র উপায়। এ ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই। কোরআন ও হাদিসের বিভিন্ন উদ্ধৃতি উল্লেখ করে মুসলিম উম্মাহকে তাকওয়া অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়। কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশনা মতো জীবন গঠনের প্রতি তাগিদ দেয়া হয়। পবিত্র গ্রন্থ আল কোরআনকে জীবনের পাথেয় বানাতে বলেন খতিব। এবারের হজের খুতবায় হারামাইন শরিফাইনের মর্যাদা ও সম্মান রক্ষার আহ্বান জানিয়ে খতিব সৌদি রাজপরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। সৌদি বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজসহ রাজপরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া করেছেন। খুতবায় মুহাম্মদ বিন সালমানের কথাও উল্লেখ করেন। তার দীর্ঘ হায়াত ও কল্যাণের জন্যও দোয়া করা হয়। মুসলমানদের জাকাত আদায়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করা হয়। আল্লাহর রাস্তায় খরচ করতে বলা হয়। আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হতেও আহ্বান জানানো হয়। খুতবার শেষ দিকে হজের আহকাম জানিয়ে দেন খতিব। মুসলমানদের ঐক্য ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করেন।

0

খুতবার মধ্য দিয়ে শেষ হলো হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। খুতবার পরপরই মসজিদে নামিরায় এক আজানে জোহর এবং আসরের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। সূর্যাস্ত পর্যন্ত হাজিরা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন।

সূর্যাস্তের পর তারা মাগরিবের নামাজ না পড়ে রওয়ানা করবেন মুজদালিফার উদ্দেশে। সেখানে একসঙ্গে মাগরিব ও ইশার নামাজ আদায় করে রাত যাপন করবেন।

আগামীকাল ফজরের পর হাজিরা রওয়ানা করবেন মিনার উদ্দেশ্যে। সেখানে তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে পশু কোরবানি করবেন। শয়তানকে পাথর মারবেন। এছাড়া বায়তুল্লাহয় গিয়ে তওয়াফ করবেন।

Weather

Dinajpur
light rain
32.2 ° C
32.2 °
32.2 °
64 %
4.6kmh
22 %
Sun
30 °
Mon
34 °
Tue
34 °
Wed
34 °
Thu
35 °