15.4 C
Dinajpur
Monday, February 18, 2019
Home Blog Page 2

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট

0

রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দশটি ইউনিট।

বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টা ৫০ মিনিটে এ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।

ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্স সদর দফতরের অপারেটর শাহাদাত হোসেন বাংলানিউজকে জানান, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্টোর রুমে এ আগুনের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নেভাতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের দশটি ইউনিট। তবে, আগুন লাগার ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খরব পাওয়া যায়নি

ভ্যালেন্টাইন’স-ডে এর ইতিহাস  ইউছুফ আহমাদ

0

ভালোবাসা দিবস বা সেন্ট ভ্যালেন্টাইন’স ডে
এটি একটি বার্ষিক উৎসবের দিন যা ১৪ই ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা এবং অনুরাগের মধ্যে উদযাপিত হয়। দিবসটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উদযাপিত হয়ে থাকে, যদিও অধিকাংশ দেশেই দিনটি ছুটির দিন নয় ।

২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন’স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন’স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন’ দিবস ঘোষণা করেন। খৃষ্টানজগতে পাদ্রী- সাধু সন্তানদের স্মরণ ও কর্মের জন্য এ ধরনের অনেক দিবস রয়েছে। যেমন: ২৩ এপ্রিল – সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর – সেন্ট মার্টিন ডে, ২৪ আগস্ট – সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, ১ নভেম্বর – আল সেইন্টম ডে, ৩০ নভেম্বর – সেন্ট এন্ড্রু ডে, ১৭ মার্চ – সেন্ট প্যাট্রিক ডে।

পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব , ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মুখ্য। তাই গির্জা অভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না। খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ করা হয়। ইংল্যান্ডেক্ষমতাসীন পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এছাড়া অস্ট্রিয়া , হাঙ্গেরি ও জার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়। সম্প্রতি পাকিস্তানেও ২০১৭ সালে ইসলামবিরোধী হওয়ায় ভ্যালেন্টাইন উৎসব নিষিদ্ধ করে সেদেশের আদালত। [২] বর্তমানকালে, পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। যুক্তরাজ্যে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই ভালোবাসা দিবসের জন্য কার্ড, ফুল, চকলেট, অন্যান্য উপহারসামগ্রী ও শুভেচ্ছা কার্ড ক্রয় করতে, এবং আনুমানিক প্রায় ২.৫ কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়।

এবার আসি মূল কথায়। আমরা মুসলিম হয়েও খ্রিষ্টিয় ধর্মের উৎসব উউদযাপন করে থাকি। অথচ আমাদের ধর্ম শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলাম এগুলোকে কোন ভাবেই সমর্থন করেনা। তার পরও আমরা কিভাবে ভিন্ন ধর্মিয় উৎসব উদযাপন করি? হে মুসলিম জাতি ইতিহাস থেকে শিক্ষা নাও। ভ্যালেন্টাইন’স-ডে বর্জন করুন।

১৪ ফেব্রুয়ারি কী ঘটেছিল ঢাকায়

0

১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইনস ডে হিসেবে সারা বিশ্বে পরিচিত। কিন্তু এদিনে ১৯৮৩ সালে ঢাকায় ঝরেছিল শিক্ষার্থীদের রক্ত। এ জন্য অনেকে এ দিনটিকে ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালন করে থাকেন।

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের আরেকটি বড় আন্দোলন ও আত্মাহুতির নজির ছিল এই ১৪ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন স্বৈরশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতা গ্রহণের পরের বছরই মজিদ খান প্রণীত শিক্ষানীতির বিরোধিতা করেন শিক্ষার্থীরা। এসএসসি কোর্স ১২ বছর, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন খর্ব ও শিক্ষার ব্যয়ভার যারা ৫০ শতাংশ বহন করতে পারবে তাদের রেজাল্ট খারাপ হলেও উচ্চশিক্ষার সুযোগ দেয়ার মতো কথাও বলা হয়েছিল এ শিক্ষানীতিতে।

১৯৮২ সালে ১৭ সেপ্টেম্বর ওই শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনের বিষয়ে একমত হয় ছাত্র সংগঠনগুলো।

এরই ধারাবাহিকতায় ১৪ ফেব্রুয়ারি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে শুরু হয় ছাত্র আন্দোলন, কালক্রমে যেটি গণআন্দোলনে রূপ নিয়েছিল। তখনকার ১১টি প্রগতিশীল ছাত্রসংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গণবিরোধী শিক্ষানীতি বাতিল, ছাত্রবন্দীদের মুক্তি ও দমননীতি বন্ধ এবং গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলনের ডাক দেয়। হাজার হাজার ছাত্রছাত্রী আকাশকাঁপানো স্লোগানে এদিন নেমে আসেন রাজপথে।

সেদিন শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে হাইকোর্ট এলাকায় পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। উত্তেজনার একপর্যায়ে ছাত্রনেতারা ব্যারিকেডের কাঁটাতারের ওপরে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা শুরু করেন। তখন কোনো রকম উসকানি ছাড়াই রায়ট কার ঢুকিয়ে গরম পানি ছিটাতে শুরু করে পুলিশ। এরপর লাঠিচার্জ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়ার চেষ্টা করে।

তা করতে ব্যর্থ হয়ে নির্বিচারে গুলি শুরু করে। এতে প্রথমেই গুলিবিদ্ধ হন জয়নাল। আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে গেলে পুলিশ বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে তাকে হত্যা করে। ওইদিনই শিশু একাডেমিতে যোগ দিতে আসা দীপালী নামের এক শিশু গুলিতে নিহত হয়। পুলিশের দীপালীর মরদেহ গুম করে ফেলে। তাছাড়া যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, পল্টন এলাকায় আরো অনেককেই গুম করা হয় বলে স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনে জাফর, কাঞ্চনসহ মোট ১০ জন শহীদের হদিস পাওয়া যায়।

র পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান কাঞ্চন। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যেনো বেগবান না হয় সেজন্য স্বৈরাচার শাসকের বিরুদ্ধে আরও অনেক লাশ গুম করে ফেলার অভিযোগ ওঠে।

তখন ১৪ ফেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস হিসেবে এখনকার মতো পালন করা হতো না। ১৯৮৩ সালের সেই দিনটি ছিল এরশাদবিরোধী আন্দোলনে একটি চরম মুহূর্ত।

সেদিনের সেই মিছিলে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সে সময়ের সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের কর্মী তসলিমা রানা নীলা। তসলিমা রানা নীলা বলেন, ‘সেদিন সকাল ১০টায় বটতলায় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ছাত্রদের জমায়েত হবার কথা। সেখান থেকে শিক্ষানীতি প্রত্যাহারের দাবিতে স্মারকলিপি নিয়ে শিক্ষা ভবনে যাওয়া হবে।’

‘সকাল ১০টায় বটতলা থেকে মিছিল নিয়ে আমরা শিক্ষাভবনের দিকে যাচ্ছি। যখন আমরা কার্জন হল আর শিশু একাডেমির মাঝখানের রাস্তাটায় এলাম, তখন আমরা প্রথম আওয়াজ শব্দ শুনি। ছাত্ররা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়, সেখানে বেশ কিছু ঘটনা ঘটে। তখন রীতিমতো গোলাগুলি হচ্ছে।’

তসলিমা রানা নীলা বলেন, ‘আমরা দৌড়ে কার্জন হলে ঢুকে গেলাম। ওখানে বেশ কয়েক ঘণ্টা থাকলাম। তারপর বিকালের দিকে যখন অবস্থাটা একটু স্বাভাবিক হলো, তখন আমরা আমার বটতলায় চলে এলাম।’

তিনি বলেন, ‘তখন শহরের অবস্থা ছিল খুবই থমথমে। আমরা বটতলায় জমায়েত হওয়ার পর জয়নালের মৃতদেহ ট্রাকে করে সেখানে আনা হলো। তৎকালীন ডাকসুর ভিপি আখতারুজ্জামান বক্তৃতা দিচ্ছেন, এমন সময় আমরা হঠাৎ শুনতে পেলাম নতুন আনা রায়ট কারের শব্দ। সেটি রঙিন পানি ছিটাচ্ছে, যাতে ছাত্রদের পরবর্তীতে সহজেই চিহ্নিত করা যায় আর গ্রেফতার করতে তাদের সুবিধা হয়।

‘আবার ছাত্ররা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। কলাভবনের পেছন দিক দিয়ে আরও অনেকের মতো আমিও দৌড়ে যাচ্ছিলাম, এমন সময় পেছনের ধাক্কায় আমি পড়ে যাই। আমার উপর দিয়ে অনেক ছাত্ররা চলে যায়, আমিও অনেক ব্যথা পাই। একটা সময় অর্ধ চেতন অবস্থায় আমি নিজেকে আবিষ্কার করি, আমাকে ধরে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে’,- বলছেন তসলিমা রানা নীলা।

সাবেক ছাত্রনেতা ও ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক মোশতাক হোসেন সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে বিবিসিকে বলেন, ‘আমরা দেখেছি অনেক মৃতদেহ পুলিশ ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছে। শুধু জয়নাল নামের একজন ছাত্রকে আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারি। কিন্তু চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে সেই মৃতদেহ বটতলায় নিয়ে এসে আমরা বিক্ষোভ করি।’

সেদিন পুলিশের গুলিতে অন্তত ৫০জন নিহত হয়েছিল বলে আমরা ধারণা করি। কিন্তু দুজনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাকি মৃতদেহগুলো গুম করে ফেলে। তাদের স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে স্বজনদের কোন খোঁজ আর পাননি,’- বলেন তিনি।

তবে হতাহতের এই সংখ্যার বিষয়ে তখন সরকারিভাবে কোনো বক্তব্য দেয়া হয়নি।

‘সেদিন থেকে এই দিনটিকে স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস হিসেবে বলা হয়’, বলছেন হোসেন।

বিকেলে এবং পরের দিনও শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান চলে বলে তিনি জানান। পুলিশ অনেক ছাত্র-ছাত্রীকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করা হয়। মোশতাক হোসেনকেও গ্রেফতার করা হয়।

তিনি জানান, জয়নাল ছাড়া পরে মোজাম্মেল আইয়ুব নামের আরেকজনের মৃতদেহ পাওয়া যায়। জাফর, কাঞ্চন, দীপালি সাহা নামের একটি ছোট বাচ্চাসহ অনেকে নিখোঁজ হয়ে যায়, যাদের পরে আর কোন খোঁজ মেলেনি।

এর কিছুদিন পরে সরকার একটি ঘোষণা দিয়ে শিক্ষানীতিটি স্থগিত করে।

শাবিতে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আওয়ামীপন্থীদের নিরঙ্কুশ বিজয়

0

সৈয়দ জুনাইদ আযহারী সিলেট  :: সিলেটের শাহজলাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সবকটি পদেই আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষকদের দুটি প্যানেলের প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। মোট ১১টি পদের কোনটিতেই জিততে পারেনি বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল।

আওয়ামী লীগপন্থী দু’টি প্যানেলের মধ্যে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ মোট ৯টি পদে জয়লাভ করেছেন ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ’ প্যানেলের শিক্ষকরা। আর দু’টি সদস্য পদে জয়লাভ করেছেন ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তচিন্তা চর্চায় উদ্বুদ্ধ’ প্যানেলের শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকে সারাদিন ভোটগ্রহণ শেষে রাত সাড়ে ১২টায় ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশনার জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক আসিফ ইকবাল।

সভাপতি হিসেবে আওয়ামীপন্থী ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ’ প্যানেলের হয়ে রসায়ন বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এস এম সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্য্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন জয়লাভ করেছেন।

সহ-সভাপতি হিসেবে এই প্যানেলের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. দীপের দেবনাথ, যুগ্ম-সম্পাদক হিসেবে ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ আফজাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ হিসেবে ক্যামিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড পলিমার সায়েন্স বিভাগের শিক্ষক মুহিবুল আলম জয়লাভ করেছেন।

৬ টি সদস্য পদে সর্বোচ্চ ভোটের ভিত্তিতে ১৮জন প্রার্থীর মধ্য থেকে প্রথম সদস্য পদ লাভ করেন ‘আওয়ামীপন্থী মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তচিন্তা চর্চায় উদ্বুদ্ধ’ প্যানেলের হয়ে সিভিল এন্ড এনভারনমেন্টাল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. জহির বিন আলম এবং ষষ্ঠ পদ লাভ করেন এই প্যানেলের সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আমিনা পারভীন।

বাকি চারটি পদে যথাক্রমে জয়লাভ করেন ‘মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ’ প্যানেলের হয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ড. আব্দুল গনি, জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের মোঃ আশরাফুজ্জামান, অর্থনীতি বিভাগের চৌধুরী আবদুল্লাহ আল বাকী, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি বিভাগের অনিমেষ সরকার।

আওয়ামীপন্থী শিক্ষকেরা ভাগ হয়ে দু’টি প্যানেলে নির্বাচন করলেও কোন পদেই জয়লাভ করতে পারেনি বিএনপি-জামায়াতপন্থী ‘মহান মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ ও ধর্মীয় মূল্যবোধে শ্রদ্ধাশীল শিক্ষক ফোরাম’।

মাধবপুরে ২১ টি স্বর্ণের চেইনসহ ছিনতাইকারী আটক

0

সৈয়দ জুনাইদ আযহারী সিলেট :: হবিগঞ্জের মাধবপুরে স্বর্ণের চেইনসহ ছিনতাইকারী চক্রের এক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। এসময় তার কাছ থেকে সাড়ে ১০ ভরি ওজনের ২১টি চেইন উদ্ধার করা হয়েছে পুলিশ। আটককৃত ফখরুদ্দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ধরমন্ডল গ্রামের বাসিন্দা।

মঙ্গলবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ উল্লা। এসময় তিনি জানান, মঙ্গলবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) চন্দন কুমার চক্রবর্তীর নেতৃত্বে মাধবপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় ফখরুদ্দিনকে তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ২১টি স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফখরুদ্দিন জানিয়েছে, মহিলা ছিনতাইকারীদের কাছ থেকে মাধবপুর উপজেলার ধরমন্ডল এলাকার জনৈক ব্যক্তি চেইনগুলো কিনে নেয়। বিকেলে ওই ব্যক্তি ফখরুদ্দিনকে চেইনগুলো বিক্রির জন্য পাঠিয়েছিল। এ ব্যাপারে ফখরুদ্দিনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই চক্রের সাথে জড়িত সকলকেই আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান পুলিশ সুপার।

“কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষনার দাবিতে কলরবের মানববন্ধন”

0

আজ রাজধানী জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররম উত্তর গেইটে কাদিয়ানীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষনার দাবিতে,কলরবের উপস্থাপক ইয়াসিন আরমান ও জায়েদ আজিজের শঞ্চালনায় জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরব মানববন্ধন করেন! এতে উপস্থিত ছিলেন কলরবের সম্মানিত চেয়ারম্যান মাওঃ সালাহউদ্দিন জাহাঙ্গীর সাহেব, কলরবের প্রধান পরিচালক আবু সুফিয়ান,কলরবের নির্বাহী প্রধান আনোয়ার শাহ,সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম হাদী,মশিউর রহমান,কলরবের শাখা সমন্বয়ক শরিফুল ইসলাম,সংগীত পরিচালক ইসহাক আলমগির,মোহাম্মদ সেলিম সানি ও আহমাদ আবু জাফর,থিয়েটার পরিচালক ওমর ফারুক,সাব্বির আহমাদ,আব্দুল্লাহ আল রাশেদ ও ক্বারি ফয়সাল আহমাদ, বুরহান উদ্দিনন, হাবিবুর রহমান,কিশোর পরিচালক রাশেদ রাহমান,মাহবুব আল বারী,মাসুম বিল্লাহ মারুফ,আব্দুল হাকিম সাদী,সাইফ আদনান,আহনাফ খালিদ,জাহিদ হাসান, বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ বাংগালী, জাহিদ হাসান এমেলি সহ দেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যাক্তিবর্গ। কলরব চেয়ারম্যান মাওঃ সালাহউদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন কাদিয়ানিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষনা করতে হবে,যতদিন পর্যন্ত অমুসলিম ঘোষণা না করা হবে,ততদিন পর্যন্ত আমাদের এই আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। কলরব প্রধান আবু সুফিয়ান বলেন গতকাল পঞ্চগড়ে অর্ধশতাধিক মুসুল্লি আহত ও খোবায়েব নামের এক ভাই শহীদ হওয়ার মাধ্যমে কাদিয়ানীদের ইজতেমা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। সরকারকে ধন্যবাদ জানান কলরব প্রধান এবং অমুসলিম ঘোষনার দাবি জানান। কলরব নির্বাহী প্রধান আনোয়ার শাহ বলেন।কাদিয়ানী হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর জন্য ক্যান্সার। এদেরকে দেশ থেকে বিতারিত করা প্রয়োজন যারা গোলাম মোহাম্মদ কাদিয়ানীকে নবী মানে। এছাড়া দেশ বরেণ্য ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ব ইজতিমা নিয়ে গাইলেন কলরবের প্রধান পরিচালক আবু সফিয়ান

0

জাতীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন কলরবের প্রধান পরিচালক আবু সুফিয়ান এবার ইজতিমা ও শাপলাচত্বর নিয়ে সংগীত গাইলেন। সংগীতটি লিখেছেন বিশিষ্ট ছড়াকার ওমর ফারুক মজুমদার ও সুর করেছেন আবু সুফিয়ান। এর আগে আহমদ শফী সাহেবকে নিয়ে গাওয়া গানটিও ছিলো ওমর ফারুক মজুমদারের কথা ও আবু সুফিয়ানের সুরে। সংগীতি রেকর্ড করা হয়েছে সুরকেন্দ্র স্টুডিওতে এবং কম্পোজার ছিলেন জয়নাল আবেদিন একাত্ত ও শব্দ ধারণ করেছেন আল আমিন জাজ।ক্যামেরা ও এডিট এ ছিলেন এইচ এম উবায়দুল্লাহ। সহশিল্পী ছিলেন সেলিম সানি। শিল্পী আবু সুফিয়ান বলেন টঙ্গী ও শাপলাচত্বরের বেদনা গুলো এই গানে ফুটে ওঠেছে। আমরা চাই সুরের মাধ্যমে জবাব দিতে এবং সবসময় কলরব শিল্পীগোষ্ঠী সেই কাজেই করে আসছে, সামনেও করে যাবে ইনশাআল্লাহ।

সুনামগঞ্জে সব উপজেলায়ই আ. লীগের একাধিক প্রার্থী, আছেন বিএনপি প্রার্থীরাও

0

সৈয়দ জুনাইদ আযহারী সিলেট :: উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের জন্য কেন্দ্র থেকে একক প্রার্থী নির্ধারণ করলেও সুনামগঞ্জে দলের বিদ্রোহীদের ঠেকাতে পারছে না আওয়ামী লীগ। চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্তদের সাথে বিদ্রোহীরাও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদিকে, বিএনপি এই নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার মত পোষণ করলেও সুনামগঞ্জে দলটির নেতারা অংশ নিচ্ছেন উপজেলার ভোটের লড়াইয়ে।

সোমবার পর্যন্ত সুনামগঞ্জের ১০ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৩৯ , ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮০ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪২ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। এরমধ্যে তাহিরপুর ছাড়া সব উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তাহিরপুরে আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী থাকলেও বিএনপির দুই নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন- খায়রুল হুদা চপল (আওয়ামী লীগ মনোনীত), সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন (স্বতন্ত্র), যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ বখ্ত নজরুল (স্বতন্ত্র) ও আওয়ামী লীগ নেতা মনিষ কান্তি দে মিন্টু (স্বতন্ত্র)।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন, তারা হলেন- আবুল হোসেন, মোঃ বাবুল মিয়া, জাকির হোসেন শাহীন, মোঃ শহীদুল্লা ও সাইফুল ইসলাম মোবিন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন নিগার সুলতানা কেয়া, সাদিয়া বখ্ত ও সানজিদা নাসরিন ডিনা।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, আবুল কালাম (আওয়ামী লীগ মনোনীত), উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফারুক আহমদ, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আনছার উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রেজাউল আলম নিক্কু ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন দোলন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, নূর হোসেন, মাওলানা আতাউর রহমান, রিপন মিয়া, কামাল হোসেন পারভেজ ও শহীদুল ইসলাম।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, রুবিনা বেগম, দোলন রানী তালুকদার, অ্যাডভোকেট হেলিনা আক্তার, খাইরুনন্নেছা ও রফিকা মহির।

শাল্লা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, চৌধুরী আব্দুল্লা আল মাহমুদ (আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী) ও জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট অবনী মোহন দাস।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, অ্যাডভোকেট দীপু রঞ্জন দাস, আব্দুল মজিদ, কালী পদ রায়, সাইফুল ইসলাম, ফেনী ভূষণ সরকার, পঙ্কজ চৌধুরী ও অরিন্দম অপু।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, অমিতা রানী দাস, নেহার বেগম, আজিজুন্নেছা, রেজিয়া বেগম, পলি বেগম ও ব্রেইনী তালুকদার।

দিরাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন- প্রদীপ রায় (আওয়ামী লীগ মনোনীত), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আলতাব উদ্দিন, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মঞ্জুর আলম চৌধুরী ও যুবলীগের সভাপতি রঞ্জন রায়।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন- জায়ফর মিয়া, মোহন চৌধুরী, রুহুল আমীন, নুরুল হক, তোফায়েল চৌধুরী, আরিফুজ্জামান চৌধুরী, ইমরান হোসেন, সর্দার কামাল হোসেন ও জুবের আলম।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ২ জন। তাঁরা হলেন- ছবি চৌধুরী, অ্যাডভোকেট রিপা সিন্হা ও হেলেনা বেগম খেলা।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দিয়েছেন ৪ জন। তাঁরা হলেন, বর্তমান চেয়ারম্যান, বিএনপি’র হারুন অর রশিদ, রফিকুল ইসলাম তালুকদার (আওয়ামী লীগ মনোনীত), জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি মোশারফ হোসেন ইমন ও আওয়ামী লীগ নেতা সফর উদ্দিন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৭ জন। তাঁরা হলেন- সোলেমান তালুকদার, হুমায়ুন কবির পাপন, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ তাজ্জদ আলী, সাইফুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন দিলু, সেলিম আহমদ, আব্দুল মান্নান ও হাসান বশির।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৩ জন। তাঁরা হলেন- আয়শা আক্তার, মদিনা আক্তার ও মাহফুজ আক্তার রীনা।

তাহিরপুর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ৩ জন। তাঁরা হলেন, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল, করুণা সিন্ধু চৌধুরী বাবুল (আওয়ামী লীগ মনোনীত) ও জেলা বিএনপির সহসভাপতি আনিসুল হক।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৭ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, আলমগীর খোকন, রিয়াজ উদ্দিন খন্দোকার, ফেরদৌস আলম আখঞ্জি, রহমত আলী, মিলন তালুকদার ও আব্দুল বারেক।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৫ জন। তাঁরা হলেন- বেরা আক্তার, খালেদা বেগম, হেনা আক্তার, বিউটি রানী সরকার ও সেলিনা বেগম।

দোয়ারাবাজার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৭ জন। তাঁরা হলেন ডা. আব্দুর রহিম (আওয়ামী লীগ মনোনীত), উপজেলা আওয়ামী লীগের একাংশের আহ্বায়ক ফরিদ আহমদ তারেক, আওয়ামী লীগ নেতা দেওয়ান তানভির আশরাফি বাবু, বিএনপি নেতা মো. শাজাহান মিয়া, বিএনপি নেতা হারুনুর রশিদ, রেনু মিয়া ও দেওয়ান আবুল হোসেন মাহমুদ রেজা চৌধুরী।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৩ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, রফিকুল ইসলাম, জিয়াউর রহমান, মারফত আলী, গুরুদাস দে, সিরাজুর রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, নূর হোসেন, ফয়জুল হক, জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল করিম, হারুন মিয়া, জালাল উদ্দিন ও নূর আলী ইমরান।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, সালেহা বেগম, সৈয়দা পারভিন সুলতানা, সখিনা বেগম ও ঝর্ণা রানী দাস।

জামালগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন- সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ইউসুফ আল আজাদ (আওয়ামী লীগ মনোনীত), জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সাচনাবাজার ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মুহাম্মদ রশীদ আহমদ।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ১২ জন। তাঁরা হলেন- গোলাম জিলানী আফিন্দী রাজু, আকবর হোসেন, অ্যাড. জুবায়ের আবেদীন, জসিম উদ্দিন তালুকদার, আব্দুল কদ্দুস, আব্দুল আউয়াল, আব্দুল আহাদ, সিদ্দিকুর রহমান, সামছুল আলম সিদ্দিকী, এসএম মোর্শেদ ও শাহাব উদ্দিন।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন দাখিল করেছেন ৭ জন। তাঁরা হলেন সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান হাফিজুর আক্তার দিপু, বীনা রানী তালুকদার, শারমীন সুলতানা, রায়েবা সিদ্দিকি রাবু, রুনা লায়লা, চৌধুরী শারমীন রহমান ও সোহেলা আক্তার।
ধর্মপাশা উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন- মো. শামীম আহমেদ মুরাদ (আওয়ামী লীগ মনোনীত), উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বিলকিস, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোজাম্মেল হোসেন রোকন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৬ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন- আব্দুল হাই তালুকদার, মো. কামাল, আবুল কাসেম, এএসএম ওয়াসিম, বিল্লাল হোসেন ও ফারুক আহমেদ।

মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২ জন মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। তাঁরা হলেন ইয়াসমিন আক্তার এবং শান্তা চৌধুরী।
ছাতক উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে ৩ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন- বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল, ফজলুর রহমান (আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী) ও আওয়ামী লীগ নেতা আওলাদ আলী রেজা।

ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৯ প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, আবু সাদাত লাহীন, ইজাজুল হক রনি, আতাউল হক সামি, অ্যাডভোকেট মাসুম আহমদ, আব্দুল গফ্ফার. শামীম আহমদ, শাহীন চৌধুরী, বাবুল রায় ও লোকমান হোসেন।
মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মনোনয়ন দাখিল করেছেন। তাঁরা হলেন, রাবেয়া বেগম, লিপি বেগম, নাসিমা আক্তার ও শিখা দে।

শিমুলবনে বসন্ত

0

সৈয়দ জুনাইদ আযহারী সিলেট :: বৃক্ষপ্রেমী জয়নাল আবেদীনের শিমুল বাগানে বসন্ত আসার আগেই ফাগুনের আগুন লেগেছে। সহস্র রক্তিম লাল শিমুল দেখে যেন মনে হয়, বসন্ত এসে গেছে। প্রকৃতি আর মানব কল্পনার এক অপরূপ মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়েছে এই শিমুল বাগানে।

তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট (উত্তর) ইউনিয়নের সুদৃশ্য জাদুকাটা নদীর তীর ঘেঁষেই মানিগাঁও গ্রাম। এ গ্রামে জয়নাল আবেদীনের ২ হাজার ৪০০ শতক জমি। সে জমিতে প্রায় তিন হাজার শিমুলগাছ।

গাছে গাছে টকটকে লাল শিমুল ফুল যেমন আছে, তেমনি হালকা কমলা রঙ্গের ফুলও আছে। বিশাল সে শিমুল বাগানের এক প্রান্তে দাঁড়ালে অন্য প্রান্ত দেখা যায় না। বাগানের মাঝখানে লাগানো লেবুর গাছগুলো বাগানকে দু’টি ভাগে বিভক্ত করেছে।সারিবদ্ধভাবে সুন্দর পরিকল্পনা করে বাগানটি তৈরি করা হয়েছে। বাগানের ভেতর যেদিকেই চোখ যায় সেদিকেই শিমুলগাছের সারির সৌন্দর্য। নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এতো বিশাল শিমুল বাগান দেশের আর কোথাও নেই।

শিমুলের রক্তরাঙ্গা সৌন্দর্য দেখতে ৬ ফেব্রুয়ারি কাকডাকা ভোরে সিলেট নগরীর কুমারগাঁও থেকে বাসে করে যাত্রা শুরু। ঘোরাঘুরির সঙ্গী যথারীতি বন্ধু বিশ্বজিৎ সূত্রধর ও তাপস সূত্রধর। সুনামগঞ্জ পৌঁছে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন আবদুজ জহুর সেতু থেকে মোটরবাইকে করে গ্রামের ধূলিময় পথ ধরে দুপুর বেলা পৌঁছাই শিমুলবাগানে।

অনেকটা ক্লান্তি নিয়ে পৌঁছে সহস্র রক্তিম লাল শিমুল দেখে মন জুড়িয়ে যায়। বাগানের ভিতরে যেদিকে তাকাই শুধু লাল আর লাল। গাছে গাছে লাল ফুল। আবার গাছের নিচে মাটিতেও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে ফুল। গাছ থেকে ফুল মাটিতে পড়ছে, থপ করে শব্দ হচ্ছে। ধূলিমাখা মাটিতেও যেন ফুলে ফুলে সাজানো লাল গালিচা। এ যেন সত্যিই রূপকথার এক রাজ্য।

এমন দৃশ্য দেখে মন-শরীরের সকল ক্লান্তি তখন দূর হয়ে যায়। বসন্ত আসার আগেই অজস্র ফুটন্ত শিমুল ফুল যেন বলে দিচ্ছে, বসন্ত এসে গেছে।

যেভাবে যাবেন: সিলেট শহরের কুমারগাঁও বাস স্ট্যান্ড হতে সরাসরি সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কপথে বাসে করে সুনামগঞ্জ। বাস ভাড়া পড়বে জনপ্রতি ১০০ টাকা। সুনামগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড সংলগ্ন আবদুজ জহুর সেতু থেকে মোটরবাইকে করে যেতে হবে শিমুল বাগানে। প্রতিটি মোটরবাইক ভাড়া নিবে আসা-যাওয়ার জন্য ৬০০-৮০০ টাকা। চাইলে প্রাইভেট গাড়িতে করেও যেতে পারবেন। গাড়িতে করে জাদুকাটা নদীরপাড়ে লাউয়ের গড় বাজার পর্যন্ত যাওয়া যায়। নৌকায় নদী পার হয়ে টিলার রাস্তা ধরে কিছুটা ওপরে উঠলেই একটি ছোট বাজার। বাজারের বাম দিকে কাঁচা রাস্তা ধরে কিছুক্ষণ হাটলেই পৌঁছে যাবেন শিমুল বাগানে।

সচেতনতা: একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে পরিবেশ হুমকিতে পড়ে এমন কিছু অবশ্যই করা চলবে না। পলিথিন বা প্লাস্টিকের বোতলসহ পরিবেশ বিপন্ন হয় তেমন কিছু মনের অজান্তেও ফেলে আসবেন না শিমুল বাগানে। খাবারের প্যাকেট যেখানে-সেখানে ফেলে আসবেন না। প্রকৃতিকে বেঁচে থাকতে দিন তার নিজের মতো করে।

মদনে  উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র দাখিল

0

জাকির আহমেদ নেত্রকোণা ::  উপজেলা পরিষদ নির্বাচন মদনে মনোনয়ন পত্র দাখিল চেয়ারম্যানসহ ১২ প্রার্থীর জাকির আহমেদ মদন (নেত্রকোনা) উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানসহ চেয়ারম্যান পদে তিনজন ও ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪ জন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫ জন মোট ১২ প্রার্থীর সোমবার মনোনয়ন দালিখ করেছেন। এর মধ্যেই চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক সাইদুর রহমান ,উপজেলা আওয়ামীলীগের সম্মানিত সদস্য সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ইফতে খারুল আলম খান চৌধুরী রয়েছেন।

পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হাদিউল ইসলাম কাজল,যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম,তাতী লীগের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সদস্য সচিব সাজেদুল করিম সাজু,এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নাসরিন আক্তার,মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন,রিমা আক্তার হেপি আক্তার,কল্পনা আক্তার,ঝর্না আক্তার। সহকারী রির্টানিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

Weather

Dinajpur
clear sky
15.4 ° C
15.4 °
15.4 °
79 %
1.3kmh
0 %
Mon
15 °
Tue
27 °
Wed
28 °
Thu
28 °
Fri
30 °