15.4 C
Dinajpur
Monday, February 18, 2019
Home Blog

সুখ : হাছিব সাইফ

0

সুখ
হাছিব সাইফ

হেসে যাই আড়াল হয়ে
পিঠ ঠুকে কাঁচের বারান্দায়
লেখক লিখে কতো কবিতা,গল্প উপন্যাস
কে লিখবে আমার কবিতা!

সামান্য কি এক প্রেম জীবনের নতুন গল্প লেখে
পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা নয়ন ভেজায়;
কপোলে রক্তের দাগ নিভে যায়-অমরত্বের প্রতীক ৷ শ্রেষ্ঠত্বের নাকি তাই সময়!

জীবনে মেঘ ঝড়েনি ব্যাকুল হয়ে-
আকুলতা জন্মেছে বহুবার;
সময়-সোহাগ করেনি,প্রেম তো কভু দমেনি!
এই তো এক হিশেব।

ঝরা হিশেবের ডালে মেঘ উড়ে বসন্তের আশায়,এতেই পেরিয়ে যাক একটি সময়।
কি এক যন্ত্রণার সুখ!!

মুরগির ডিম করবে ক্যান্সার প্রতিরোধ!

0

প্রাণঘাতী রোগ ক্যান্সার প্রতিরোধে নানা রকমের চিকিৎসার কথা শোনা গেলেও এবার সেই রোগ নিয়ন্ত্রণ করবে মুরগির ডিম।

এই ডিম সাধারণ মুরগির পাড়া কোন ডিম নয়। মুরগির শরীরে জিনগত কিছু পরিবর্তন ঘটানোর পর ওই মুরগি যে ডিম পাড়বে সেটা দিয়েই এই চিকিৎসার কথা বলা হচ্ছে।

গবেষকরা বলছেন, এ ধরনের ডিমে এমন কিছু ওষুধ থাকবে যা দিয়ে আর্থ্রাইটিসসহ কয়েক ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসা করা সম্ভব। এছাড়া এই পদ্ধতিতে বাণিজ্যিক পরিমাণেও ওষুধ তৈরি করা সম্ভব।

এছাড়া এসব ওষুধ উৎপাদন করতে কারখানায় যে খরচ হবে, মুরগির মাধ্যমে এই ওষুধ তৈরি করলে খরচ কমবে অন্তত ১০০ গুণ।

এর আগে বিজ্ঞানীরা ছাগল, খরগোশ এবং মুরগির শরীরে জিনগত কিছু পরিবর্তন ঘটালে তাদের ডিম কিম্বা দুধে এমন কিছু প্রোটিন তৈরি হয় যা ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহার করা যায়। কিন্তু এগুলোর চেয়েও মুরগির ডিম দিয়ে তৈরি ওষধ অনেক বেশি কার্যকরী, উন্নত মানের এবং এই পদ্ধতিতে খরচও অনেক কম।

এ বিষয়ে যুক্তরাজ্যের এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসলিন টেকনোলজিসের গবেষক ড. লিসা হেরন বলেন, ডিম পাড়লে মুরগির স্বাস্থ্যেরও কোনো ক্ষতি হয় না।

তিনি বলেন, তারা বড় বড় খোপে বাস করে। অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক উপায়ে তাদেরকে প্রতিদিনের খাবার ও পানি দেওয়া হয়। ডিম পাড়া তো তাদের জীবনে একটি স্বাভাবিক ঘটনা। মুরগির স্বাস্থ্যের ওপর এর কোন নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না।

ড. হেরন বলেন, এই পদ্ধতিতে যে খরচ হবে সেটা কারখানায় এসব প্রোটিন উৎপাদনের খরচের তুলনায় ১০ থেকে ১০০ গুণ কম।

মুরগির ঘর তৈরি করতে খুব বেশি ব্যয় করতে হয় না বলেই খরচ কম হয়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, মানবদেহে নানা রোগের জন্ম হওয়ার পেছনে একটি বড় কারণ হলো আমাদের শরীর কোনো একটি নির্দিষ্ট রাসায়নিক কিম্বা প্রোটিন খুব বেশি পরিমাণে তৈরি হয় না। কিন্তু এসব প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করার মাধ্যমে অনেক রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

ওষুধ প্রস্ততকারক বিভিন্ন কোম্পানি তাদের কারখানায় এসব প্রোটিন উৎপাদন করে থাকে-যাতে অনেক অর্থ খরচ হয়।

মুরগির ডিএনএর ভেতরে মানুষের এমন একটি জিন ঢুকিয়েছেন যা মানবদেহের প্রোটিন তৈরি করে থাকে বলে জানান ড. হেরন এবং তার সহগবেষকরা।

তারা পরীক্ষা করে দেখেছেন, এর ফলে মুরগির ডিমের শাদা অংশের মধ্যে ওই প্রোটিন পাওয়া গেছে। মুরগির ডিম ভেঙে, শাদা অংশকে কুসুম থেকে আলাদা করে দেখতে পেয়েছেন যে তাতে প্রচুর পরিমাণে মানব প্রোটিন রয়েছে।

প্রথম প্রোটিনটি ক্যান্সার-প্রতিরোধী এবং দ্বিতীয়টি ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুকে সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই ওষুধের একটি ডোজ তৈরি করতে মাত্র তিনটি ডিমই যথেষ্ট। এবং একটি মুরগি বছরে ৩০০টির মতো ডিম পাড়তে পারে।

গবেষকরা বলছেন, প্রচুর মুরগি চাষের মাধ্যমে এসব ওষুধ বাণিজ্যিক হারেও উৎপাদন করা সম্ভব।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, এসব মুরগি থেকে প্রাণী-স্বাস্থ্যেরও নানা ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা যাবে।

এ বিষয়ে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হেলেন স্যাঙ বলেন, মুরগির ডিম থেকে আমরা এখনও মানব দেহের ওষুধ তৈরি করিনি। তবে এই গবেষণা থেকে এটা স্পষ্ট যে মানুষের শরীরে ক্যান্সারসহ নানা রোগের চিকিৎসায় মুরগির ডিম থেকে পাওয়া এসব প্রোটিন ব্যবহার করা সম্ভব।

এসব ডিম শুধু পরীক্ষার জন্যেই উৎপাদন করা হয়েছে। বিক্রির জন্যে এখনও বাজারে ছাড়া হয়নি বলে তিনি জানান।

সূত্র: বিবিসি

নগরবাসীর ভোগান্তি মেট্রোরেলের দ্বিতীয় দফা নির্মাণ কাজ শুরু

0

রাজধানীর ফার্মগেট থেকে শাহবাগ হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তার বেশিরভাগ স্থান টিনের বেরা দিয়ে ঘেরাও করে দখলে নিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। দুদিকের সরু অংশ নিয়ে কোনোমতে চলাচল করছে যানবাহন। তাতে দিনভর যানজটের ভোগান্তি লেগেই আছে। এরই মধ্যে এই পথের শতাধিক বাসের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। এতে করে যাত্রীদের নতুন করে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, গত মাসের ১৫ তারিখ থেকে মেট্রোরেলের কাজের সুবিধার্থে বেশ কিছু বাসের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। মিরপুর থেকে ফার্মগেট হয়ে যে সব বাস বাংলামোটর-শাহবাগ হয়ে গুলিস্তান-মতিঝিল আসতো সেগুলো এখন সংসদ ভবন থেকে ঘুরে এলিফ্যান্ট রোড অথবা তেজগাঁও-মগবাজার হয়ে ঘুরে আসছে। এতে করে হাজার হাজার যাত্রীর পথ এলোমেলো হয়ে গেছে। যাত্রীদের কর্মস্থল থেকে বাসায় ফিরতে গিয়ে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে অনেক সময় রাত হয়ে যাচ্ছে।

হাতিরপুলের এক অভিজাত মার্কেটে সেলসম্যানের কাজ করেন আব্দুল লতিফ। মিরপুর ১১নং সেকশনের বাসা থেকে বের হয়ে বাসে চড়ে এসে নামেন বাংলামোটরে। সেখান থেকে পায়ে হেঁটে তার কর্মস্থল মাত্র কয়েক মিনিটের পথ। আব্দুল লতিফ জানান, সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাদে প্রতিদিন হাতে কমপক্ষে দুই ঘণ্টা সময় নিয়ে তিনি বাসা থেকে বের হন। কখনও কখনও যানজটের মধ্যেই সেই দুই ঘণ্টা শেষ হয়ে যায়। কিন্তু কয়েক দিন ধরে বাস মিরপুর থেকে আর সোজা পথে আসছে না। ফার্মগেট, বাংলামোটর এলাকায় মেট্রোরেলের কাজ শুরু হওয়ায় মিরপুরের বাস এলিফ্যান্ট রোড হয়ে মতিঝিলের দিকে যাচ্ছে। এ কারণে লতিফকে নামতে হচ্ছে শুক্রবাদে। সেখান থেকে সরাসরি কোনো বাস না থাকায় পায়ে হেঁটেই হাতিরপুল পর্যন্ত আসতে হচ্ছে তার। এতে হাতে আরও এক ঘণ্টা সময় রাখতে হচ্ছে। আব্দুল লতিফের কথায়, কাজ শেষে ফিরতে গিয়ে ভোগান্তি আরও কয়েক গুণ বেশি। বাংলামোটর এলাকায় কোনো বাস না থাকায় পায়ে হেঁটে এলিফ্যান্ট রোড বা শুক্রবাদে যেতে হয়। রুট এলোমেলো হওয়াতে বাসের দেখা সহজে মেলে না। হাজার যাত্রীর জন্য মাঝে মধ্যে দু’একটা বাস আসে। তখন সেগুলোতে চড়ার মতো উপায় থাকে না। কাওরানবাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী ফারুক জানান, পুরো রাজধানীর যানজট এখন কাওরানবাজারমুখি। অর্থাৎ কাওরানবাজারের আশপাশে সবগুলো এলাকাতেই এখন দিনভর যানজট লেগে থাকে। বিকালে বসুন্ধরা সিটিতে গাড়ির ভিড়ের কথা উল্লেখ করে ওই ব্যবসায়ী বলেন, তখন কি যে ভয়াবহ পরিস্থিতি হয় তা ভুক্তভোগিরাই জানেন। তার ভাষায়, কদিন পরে বিপদে না পড়লে আর কেউই এই এলাকায় আসবে না। কিন্তু ফারুকের মতো যারা না এসে পারবেন না তাদের জন্য ‘মহাবিপদ’। বললেন, কবে যে এই বিপদ থেকে রেহাই মিলবে কে জানে?

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মেট্রোরেল প্রকল্পের দ্বিতীয় অংশের কাজ শুরু হওয়ায় গত ১৫ জানুয়ারি থেকে বেশ কিছু গণপরিবহনের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। মিরপুর রোড থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ হয়ে আসা বাসগুলোকে ফার্মগেটের দিকে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এই রুটের বাসগুলো বিজয় সরণি থেকে তেজগাঁওয়ের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার কোনো কোনো রুটের বাস মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে সায়েন্স ল্যাবরেটরির দিকে ঘুরিয়ে দেয়া হচ্ছে। আপাতত কিছুদিন বাসগুলো সায়েন্সল্যাবরেটরি হয়ে শাহবাগ দিয়ে মতিঝিল-গুলিস্তান আসবে। কাজের অগ্রগতির পর শাহবাগের রাস্তাও বন্ধ করে দেয়া হতে পারে। এখন কেবল ক্যান্টনমেন্ট রুটের বাস ফার্মগেট হয়ে মতিঝিল-গুলিস্তানের দিকে আসতে পারছে। জানা গেছে, মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে আরও কিছু পথ পরিবর্তন হবে। ট্রাফিক বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, সকাল আটটা থেকে সকাল সাড়ে দশটা এবং বিকেল পাঁচটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত সপ্তাহে রবি থেকে বৃহস্পতিবার প্রতিদিন মোট সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ফার্মগেট থেকে শাহবাগ পর্যন্ত প্রাইভেট কার চলাচল বন্ধ রাখা হতে পারে। প্রথম দিকে রাজধানী ‘গ’ সিরিজের প্রাইভেট কারগুলো বন্ধ রাখার চিন্তাভাবনা চলছে। পরিস্থিতি অনুকূলে না এলে পরবর্তী সময়ে ‘ক’ ও ‘খ’ সিরিজের প্রাইভেট কারগুলো বন্ধ রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। তবে অ্যাম্বুলেন্স, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, রোগী বহনকারী, সংবাদপত্র ও ওষুধ পরিবহনের মতো জরুরি সেবার গাড়িগুলো এর আওতার বাইরে রাখা হবে।

ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগারগাঁও-ফার্মগেট থেকে মতিঝিল পর্যন্ত রাস্তাটির প্রস্থ প্রায় ২২ মিটার। এর মধ্যে সড়কের দুই পাশের মধ্যবর্তী ১১ মিটার অংশে মেট্রোরেল প্রকল্পের জন্য টিনের বেরা দিয়ে আলাদা করে নেয়া হয়েছে। এতে করে রাস্তার এক পাশে মাত্র ৫ মিটারের মতো জায়গা থাকছে। ওই রাস্তা দিয়েই চলছে যানবাহন। চালকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রাস্তার এক পাশে যতোটুকু জায়গা আছে তাতে একটা বাস বা প্রাইভেট কারের পাশে কোনোমতে একটা মোটরসাইকেল চলতে পারে। এতে করে যানবাহনগুলোকে খুবই ধীরে চলতে হয়। ফার্মগেট থেকে কাওরানবাজার-বাংলামোটর হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত চলতে গিয়ে ভয়াবহ যানজটের কবলে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় নষ্ট হচ্ছে। ট্রাফিক পুলিশের আশঙ্কা, শাহবাগ অথবা মতিঝিল পর্যন্ত রাস্তা সরু হলে আরও ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হবে। এজন্য বিকল্প ব্যবস্থার কি করা যায় তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে বলে জানান ট্রাফিক পুলিশের একজন উপকমিশনার। তিনি জানান, পরিস্থিতি সামাল দিতে ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে সরকারের উচ্চপর্যায়ে ১৫ দফা প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের ট্রাফিক পুলিশের একজন কর্মকর্তা বলেন, এভাবে আরও দুই বছর কিভাবে যানজট সামাল দিবো তা নিয়ে আমরাও রীতিমতো চিন্তায় আছি।

রাজধানী ঢাকার প্রধান তিনটি সড়ক হলো-বিমানবন্দর-ফার্মগেট-শাহবাগ-জিরোপয়েন্ট-মতিঝিল, পল্টন-বাড্ডা-বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা হয়ে বিমানবন্দর এবং গুলিস্তান থেকে মিরপুর। এই তিনটি সড়কের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো বিমানবন্দর-মতিঝিল সড়কটি। এই সড়ক ‘ভিআইপি সড়ক’ হিসেবে পরিচিত। এই ভিআইপি সড়কই রাজধানী ঢাকাকে দুই ভাগে ভাগ করেছে। ট্রাফিক পুলিশের মতে, ভিআইপি সড়কের কোনো অংশে যানজট সৃষ্টি হলে এর প্রভাব পড়ে পুরো রাজধানীতে। এ ছাড়া ভিআইপি সড়ক দিয়ে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসহ সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা চলাচল করেন। এর পাশাপাশি এই সড়কে ১১১টি রুটের বাস চলাচল করে।

ট্রাফিক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজের কারণে বাসের চলার পথ পরিবর্তন করায় বর্তমানে সার্ক ফোয়ারা অতিক্রম করছে প্রতি ঘণ্টায় গড়ে ৮০০ প্রাইভেট কার। তাই যানজট কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে। কিন্তু দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা, যাদের প্রধান বাহন বাসের মতো গণপরিবহন। আগামীতে প্রাইভেট কার নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এই সংখ্যা আরও বেড়ে যানজটের ভয়াবহ বিস্তৃতি ঘটবে। তাতে যাত্রীদের ভোগান্তি ক্রমেই বাড়তেই থাকবে।

এদিকে, যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাছে ১৫টি প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। এগুলো হলো, মেট্রোরেল প্রকল্প, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, ট্রাফিক বিভাগের মধ্যে মাঠপর্যায়ে সমন্বয় করা, যেসব এলাকায় সড়ক বেশি সরু হয়েছে সেখানে ফুটপাত কেটে ছোট করা, বিদ্যুতের খুঁটি সরিয়ে ফেলা, ধুলাবালিতে পরিবেশদূষণ যেন না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা, মেট্রোরেলের ভারী কাজগুলো সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে করানো। এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ টার্নিং পয়েন্ট বা মোড়গুলোতে নজরদারি করা। এর পাশাপাশি বড় কোনো কাজের আগে গণমাধ্যমের সহায়তায় নগরবাসীকে অবহিত করা।

ভুক্তভোগিদের মতে, ফার্মগেট থেকে শাহবাগ পর্যন্ত মেট্রোরেলের কাজ শুরু হতে না হতেই যেভাবে যানজটের ভোগান্তি বাড়তে শুরু করেছে তাতে যাত্রী, বাস চালক ও বাস মালিক সবাই হতাশ। তাদের মতে, গত কয়েক দিনে রাজধানীতে দুর্ভোগ বেড়েছে ফার্মগেট, বাংলামোটর, শাহবাগ, খেজুরবাগান, তেজগাঁও, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, সায়েন্সল্যাবরেটরিসহ আশপাশের এলাকায়। বাসের রুট পরিবর্তন করায় যাত্রীদের ভোগান্তি যেমন বেড়েছে তেমনি বাসের রুটভিত্তিক যাত্রীও কমে গেছে বলে মালিকদের দাবি।কয়েকজন মালিকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, রুট পরিবর্তন হওয়ায় গন্তব্যের দূরত্ব বেড়ে গেছে। তাতে জ্বালানী খরচও বেড়েছে। মালিকপক্ষের দাবি, দূরত্ব বাড়াতে শ্রমিকদের খরচও দিতে হচ্ছে বেশি।

মেট্রোরেল প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার দূরত্বের মেট্রোরেল বসবে। তাতে ৩৭৭টি পিয়ারের ওপর ৩৭৬টি স্প্যান বসানো হবে। প্যাকেজ (সিপি)-৩, ৪, ৫, ৬ -এই চারটি প্যাকেজে এর কাজ পুরোদমে চলছে। এর মধ্য প্রথম ভাগে প্রায় ১২ কিলোমিটার অংশে রয়েছে আগারগাঁও পর্যন্ত। প্রকল্পের এই অংশের কাজ অনেকটাই দৃশ্যমান। ২০২০ সালের মধ্যে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রোরেল চালুর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২২ সালে।

এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষ : সাংবাদিক আহত

0

আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সিলেট এমসি কলেজে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে মোহনা সাংস্কৃতিক সংগঠনের বসন্ত বরণ অনুষ্ঠানে সংঘটিত সংঘর্ষের ঘটনার সময় কর্তব্যরত ফটো সাংবাদিকের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে ৪ ফটো সাংবাদিক আহত হন। হামলার শিকার ফটো সাংবাদিকরা হলেন- ইউসুফ আলী (দৈনিক সমকাল), অসমিত অভি (দৈনিক ভোরের কাগজ), মিঠু দাশ জয় (সিলেট শুভ প্রতিদিন) ও কাওসার আহমদ (সিলটিভি)।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ জেদান আল মুসা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা-ধাওয়ার খবর পাওয়া মাত্র শাহপরান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টায় মোহনা সাংস্কৃতিক সংগঠনের আয়োজনে শুরু হয় বসন্ত উৎসব। এ উৎসব চলাকালীন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে বসা নিয়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের সংঘর্ষ বাঁধে। এসময় সেখানে থাকা সাংবাদিকরা এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালায় ছাত্রলীগ কর্মীরা।

ছাত্রলীগের হামলায় আহত আলোকচিত্রী অসমিত অভি বলেন, এমসি কলেজে মোহনার বসন্ত উৎসব স্থলে বসাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ বাঁধে। এ সময় দৈনিক শুভ প্রতিদিনের ফটো সাংবাদিক মিঠু দাস জয় সংঘর্ষের ছবি তুলতে গেলে তার ওপর চড়াও হয় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা। পরে অন্যান্য সাংবাদিকরা এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা করে ছাত্রলীগ কর্মীরা।

আহত ইউসুফ আলী জানান, ছাত্রলীগ কর্মীরা উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। হামলার সময় আমার হাতে থাকা ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে তারা। কিন্তু সকলের উপস্থিতে তা আর ছিনিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি।

শাহপরান (র:) থানার ওসি আখতার হোসেন বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে আছি। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ব্যাপারটি আমরা গুরুত্বের সাথে দেখছি।

সুত্র:

যেভাবে স্মার্ট কার্ড অনলাইনে সংশোধন করবেন

0

আমরা অনেকেই জানি না জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি হারিয়ে গেলে, কোনো তথ্য সংশোধন বা ছবি পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে অনলাইনে। অনেকের পরিচয়পত্র ছিল, হারিয়ে গেছে বা পরিচয়পত্রে ভুল তথ্য রয়েছে সংশোধন করা প্রয়োজন—এমন অনেকেই আছেন বুঝতে পারছেন না, তারা কীভাবে নতুন পরিচয়পত্র পাবেন বা ভুল তথ্য ঠিক করবেন। তাদের জন্যই এই বিশেষ আয়োজন।

জেনে নিন যেভাবে করবেন-

প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এই লিংকে যান https://services.nidw.gov.bd/registration (এই সাইট https ফরম্যাটে হওয়াতে আপনার ফায়ারফক্স ব্রাউজারে এটা লেখা আসতে পারে This Connection is Untrusted সেক্ষেত্রে সমাধান হলো প্রথমে Understand the Risks ক্লিক করেন তারপর।

* On the warning page, click I Understand the Risks.

* Click “Add Exception‘…. The Add Security Exception dialog will appear.

* Click “Confirm Security Exception” ক্লিক করুন সাইট চলে আসবে। এরপর-

১. প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী পূরণ করে নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।

২. আপনার কার্ডের তথ্য ও মোবাইলে প্রাপ্ত এক্টিভেশন কোড সহকারে লগ ইন করুন।

৩. তথ্য পরিবর্তনের ফর্মে তথ্য হালনাগাদ করে সেটির প্রিন্ট নিয়ে নিন।

৪. প্রিন্টকৃত ফর্মে স্বাক্ষর করে সেটির স্ক্যানকৃত কপি অনলাইনে জমা দিন।

৫. তথ্য পরিবর্তনের স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় দলিলাদি কালার স্ক্যান কপি অনলাইনে জমা দিন।

এবার “রেজিষ্ট্রেশনফরম পূরণ করতে চাই” ক্লিক করুন।

এবার ফরমটি সঠিক ভাবে পুরণ করুন-

* এন.আই.ডি নম্বরঃ (আপনার এন.আই.ডি নম্বর যদি ১৩ সংখ্যার হয় তবে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন উদাহরণঃ আপনার কার্ড নাম্বার ১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০ ও জন্মসাল ১৯৯০ আপনি এভাবে দিবেন১৯৯০১২৩৪৫৬৭৮৯১০০০)

* জন্ম তারিখঃ (কার্ড দেখে সিলেক্ট করুন)

*মোবাইল ফোন নম্বরঃ (আপনার সঠিক মোবাইল নাম্বার দিন কারণ মোবাইলে ভেরিফাই কোড পাঠাবে)

* ইমেইলঃ (ইচ্ছা হলে দিতে পারেন না দিলে সমস্যা নাই, ইমেইল আইডি দিলে পরবর্তীতে লগইন করার সময় ভেরিফাই কোড ইমেইলে সেন্ড করতে পারবেন যদি মোবাইল হাতের কাছে না থাকে)

* বর্তমান ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন।

* স্থায়ী ঠিকানা: বিভাগ জেলা উপজেলা/থানা সিলেক্ট করুন ভোটার হবার সময় যা দিয়েছিলেন।

* লগইন পাসওয়ার্ড: পাসওয়ার্ড অবশ্যই ৮ সংখ্যার হতে হবে বড় হাতের অক্ষর ও সংখ্যা থাকতে হবে যেমনঃ InfoPedia71

এবার সঠিক ভাবে ক্যাপচার পূরণ করুন ছোট হাতের বড় হাতের অক্ষর বা সংখ্যা যা দেওয়া আছে তাই বসান তবে স্পেস দিতে হবেনা । এবার “রেজিষ্টার” বাটন ক্লিক করে দ্বিতীয় ধাপে চলে যান।

ফরম টি সঠিক ও সফল ভাবে রেজিস্টার করার পর দেখুন আপনার মোবাইলে ভেরিফাই কোড এসেছে ও ব্রাউজারে ঐ কোড সাবমিট করার অপশন এসেছে, নিচের ছবির মত স্থানে আপনার মোবাইলের ভেরিফিকেশন কোড বসান ও রেজিস্টার বাটনে ক্লিক করুন।

(২ মিনিটের মধ্যে মোবাইলে কোড না আসলে পুণরায় কোড পাঠান (SMS) ক্লিক করুন)

সঠিক ভাবে কোড প্রবেশ করার পর আপনার Account Active হয়ে যাবে এবার একটি পেইজ আসবে আপনাকে লগইন করতে বলা হবে অথবা লগইন লিংক https://services.nidw.gov.bd/login

লগইন করতে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (১৩ সংখ্যার হলে অবশ্যই প্রথমে আপনার জন্মসাল দিয়ে নিবেন) জন্মতারিখ ও আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড দিয়ে ভেরিফাই কোড কিভাবে পেতে চান তা সিলেক্ট করতে হবে।

রেজিস্ট্রেশন করা মোবাইল নাম্বার আপনার হাতের কাছে থাকলে মোবাইলে তা না হলে ইমেইলে সিলেক্ট করুন।

এবার “সামনে” ক্লিক করুন।

এবার আপনার সিলেক্ট করা অপশন মোবাইলে বা ইমেইল থেকে ভেরিফাই কোড বসিয়ে লগইন করুন।

দুই মিনিটের মধ্যে যদি কোড না আসে তবে “পুনরায় কোড পাঠান” বাটনে ক্লিক করুন।

নির্বাচন কমিশনের কাছে থাকা আপনার ডাটাবেজের সব তথ্য দেখা যাবে এবার। নিচের যেকোনো অপশনে চাহিদা অনুযায়ী ক্লিক করুন আর তথ্য হালনাগাদ করুন। এভাবেই আপনি আপনার জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য সংশোধন কিংবা ছবি পরিবর্তন করতে পারবেন খুব সহজেই।

রেজিষ্টার
আপনি ভোটার হয়ে থাকলে রেজিষ্ট্রেশন করে এই ওয়েবসাইটের সুবিধা নিন। রেজিষ্ট্রেশন করতে নিন্মের ধাপসমূহ অনুসরণ করুণ-
services.nidw.gov.bd

ফুলবাড়ীতে প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের গাছ কর্তন

0

প্রভাবশালী মহলের ইন্দোনে ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ লক্ষাধিক টাকার গাছ কর্তন। দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের বলিভদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে এলাকার কতিপয় ব্যক্তি প্রভাব খাটিয়ে গত ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর স্কুলের মাঠে লাগানো ৩০টি গাছ কর্তন করে নিয়ে যায়। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ টাকা।

এ বিষয়ে ফুলবাড়ী উপজেলার নির্বাহী অফিসার মোঃ আব্দুস সালাম চৌধুরীর সাথে কথা বললে তিনি সাংবাদিক কে জানান, বিদ্যালয়ের গাছ কাটার অনুমতি না থাকলে প্রধান শিক্ষিকা স্বরলিপি পোদ্দার কে অভিযোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অপরদিকে ফুলবাড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছাঃ হাসিনা ভূইয়ার সাথে কথা বললে তিনি সংবাদিক কে জানান, গাছ কাটার বিষয়টি আমি জানতাম না, পরে জানতে পারছি। গাছ কাটার বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। গাছ যারা কেটেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গাছ কেটে বিক্রয়ের টাকা সরকারি কোষাগারে জমাও করেনি তারা। এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে তারা বলেন, ঐ এলাকার কিছু লোকের ইন্দোনে ঐ বিদ্যালয়ের গাছ কাটা হয়েছে। বলিভদ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা স্বরলিপি পোদ্দারের সাথে গাছ কাটার বিষয়ে কথা বললে তিনি জানান, গত ৭ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর এলাকার কিছু লোকজন বিদ্যালয়ের মাঠে ৩০টি গাছ সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘন করে কর্তন করে নিয়ে যায়। তিনি আরও জানান আমিসহ অন্যান্য শিক্ষক এবং এস.এম.সি সদস্যগণ বাধা দিতে গেলে তারা খুব্ধ হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালি-গালাজ ও অপমান করে, যাহা সরকারি বিধিমালা লঙ্ঘনমূলক অপরাধ। বিষয়টি আইনের আওতায় এনে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ১১/০২/২০১৯ ইং তারিখ উক্ত বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বাদি হয়ে উপজেলা নির্বাহী বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিজ্ঞাসা করলে গাছ কারা কেটেছে আমি চিনিনা বলে জানান। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩ লক্ষাধিক টাকার গাছ কাটার বিষয়টি উপজেলা প্রশাসন পদক্ষেপ না নেওয়ায় এলাকাবাসী চরম খুব্ধ হয়েছে। এবিএন/মোঃ আফজাল হোসেন/গালিব/জসিম

দিনাজপুর ফুলবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক গরু ব্যাবসায়ী নিহত

0

আল হেলাল চৌধুরী, ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ আজ দুপুরে নিজবাড়ী গনিপুর থেকে বেজাই মোড় আসার পর মেইন সড়কের পাশে ভ্যান চালক কে ভাড়া পরিশোধ করার সময় পিছনদিক থেকে আসা অটো রিক্সা ধাক্কা মারলে এতে সে মারাত্মক ভাবে আহত হয়।

আহত অবস্থায় এলাকাবাসী তাকে ফুলবাড়ী হাসপাতালে নিয়ে এলে মেডিকেল অফিসার রেজাউল করিম তাকে মৃত ঘোষনা করেন। নিহত গরু ব্যাবসায়ী উপজেলার এলুয়াড়ী ইউপির গনিপুর গ্রামের ময়েজ মন্ডলের ছেলে মইনুদ্দিন (৫০)।

এদিকে বেজাই বনিক সমিতি অটো রিস্কাটিকে আটক করে রেখেছে। এ ঘটনায় অটো চালক পলাতক রয়েছে।

গোয়াইনঘাট সীমান্তে ভারতীয় ৩০টি চোরাই গরু উদ্ধার

0

সৈয়দ জুনাইদ আযহারী সিলেট :: সিলেটের গোয়াইনঘাট সীমান্তে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশকালে ৩০টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-৪৮ (বিজিবি)।

শনিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ভোরে উপজেলার বিছনাকান্দি সীমান্তের ইসলামাবাদ এলাকা থেকে এ গরুগুলো উদ্ধার করে বিজিবির ৪৮ ব্যাটালিয়নের বিছনাকান্দি সীমান্ত ফাঁড়ির জওয়ানরা।

টহল কমাণ্ডার নায়েব সুবেদার জাহাঙ্গীর আলম এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ইসলামাবাদ এলাকায় অভিযান চালানো হয়। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাচালানকারীরা পালিয়ে গেলে ৩০টি গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

সুনামগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় নাগরিক আটক

0

সৈয়দ জুনাইদ আযহারী সিলেট :: সুনামগঞ্জ সীমান্তে এক ভারতীয় নাগরিককে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের দায়ে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আটক ওই ভারতীয় নাগরিকের নাম তন্ময় সামন্ত (২৫)। তন্ময় ভারতের উওর চব্বিশ পরগনা জেলার আমডাঙ্গা থানার মীরহাটি গ্রামের নিত্যানন্দ সামন্তর ছেলে।

শুক্রবার রাত প্রায় ১টার দিকে আটককৃত ভারতীয় ওই নাগরিককে বিজিবি সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় সোপর্দ করেছে। এর আগে রাত সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার বনগাঁও গ্রামের নাজমিন নামের এক নারীর বাড়ি থেকে ওই ভারতীয়কে আটক করা হয়।

২৮-বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বাংলাদেশ বিজিবি সুনামঞ্জ হেডকোয়ার্টার সূত্রে জানা যায়, ব্যাটালিয়নের সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বনগাঁও বিওপির বিজিবির একটি টহল দল শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বনগাঁও গ্রাম থেকে ভারতীয় নাগরিক তন্ময় সামন্তকে আটক করে।

বিজিবির অভিযানের খবর পেয়ে নাজমিন ও তার পরিবারের সদস্যরা রাতেই বাড়ি থেকে আত্মগোপনে চলে যায়।
বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল মাকসুদুল আলম জানান, বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত ভারতীয় নাগরিক জানায় সে বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দালালদের মাধ্যমে বাংলাদেশে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে সুনামগঞ্জের বনগাঁও এ চলে আসে।

বিজিবি অধিনায়ক আরও বলেন, রাতেই আটককৃত ভারতীয় নাগরিককে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় সোপর্দ করা হয়েছে, তবে কী কারণে তিনি অবৈধ অনুপ্রবেশের পর সুনামগঞ্জ বনগাঁওয়ে এসে আশ্রয় নেয় সে বিষয়টিও থানা পুলিশের তদন্তকারী অফিসার খতিয়ে দেখবেন।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ওই নাগরিক থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছে।

কবি আল মাহমুদের উল্লেখযোগ্য সাহিত্য

0

বাংলা কবিতার জগতে পাঁচ যুগের বেশি সময় ধরে ছিলো তার বিচরণ। গদ্য কবিতা মিলে তার রচনাসম্ভারের পরিধি অনেক বিস্তৃত। নন্দিত এ সাহিত্যিক উন্নীত হয়েছিলেন গ্রহণযোগ্যতার ভিন্ন এক পর্যায়ে।

আল মাহমুদের কবিতায় সম্ভবত সবচেয়ে আকাঙ্ক্ষিত বিষয়বস্তু ছিলো নারী এবং প্রেম। আল মাহমুদ নিজেও এ কথাটি অকপটে স্বীকার করতেন।

তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘সোনালী কাবিন’। এ গ্রন্থের শিরোনাম কবিতায় তিনি লিখেছিলেন ‘বিবসন হও যদি দেখতে পাবে আমাকে সরল/ পৌরুষ আবৃত করে জলপাইর পাতাও থাকবে না’।

এ ছাড়াও  ‘লোক লোকান্তর’, ‘পানকৌড়ির রক্ত’, ‘পাখির কাছে ফুলের কাছে’, ‘বখতিয়ারের ঘোড়া’, ‘প্রেম প্রকৃতির দ্রোহ আর প্রার্থনা’ সহ অসংখ্য কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ তার লেখা।

কবি আল মাহমুদুদের উল্লেখযোগ্য লেখা-

লোক লোকান্তর (১৯৬৩)
কালের কলস (১৯৬৬)
সোনালী কাবিন (১৯৬৬)
মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো (১৯৭৬)
আরব্য রজনীর রাজহাঁস
বখতিয়ারের ঘোড়া
অদৃশ্যবাদীদের রান্নাবান্না
Al Mahmud In English
দিনযাপন
দ্বিতীয় ভাঙ্গন
একটি পাখি লেজ ঝোলা
পাখির কাছে ফুলের কাছে
আল মাহমুদের গল্প
গল্পসমগ্র
প্রেমের গল্প
যেভাবে বেড়ে উঠি
কিশোর সমগ্র
কবির আত্মবিশ্বাস
কবিতাসমগ্র
পানকৌড়ির রক্ত
সৌরভের কাছে পরাজিত
গন্ধ বণিক
ময়ূরীর মুখ
না কোন শূন্যতা মানি না
নদীর ভেতরের নদী
পাখির কাছে, ফুলের কাছে
প্রেম ও ভালোবাসার কবিতা
প্রেম প্রকৃতির দ্রোহ আর প্রার্থনা কবিতা
প্রেমের কবিতা সমগ্র
উপমহাদেশ
বিচূর্ণ আয়নায় কবির মুখ
তোমার গন্ধে ফুল ফুটেছে (২০১৫)
ছায়ায় ঢাকা মায়ার পাহাড় (রূপকথা)
ত্রিশেরা
উড়াল কাব্য

তার সাহিত্য জীবনে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, জয় বাংলা পুরস্কার, কবি জসীম উদ্দীন পুরস্কার, একুশে পদক সহ অসংখ্যবার সম্মাননা পেয়েছেন।

পুরস্কারসমূহ-

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৮)
জয় বাংলা পুরস্কার (১৯৭২)
হুমায়ুন কবীর স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
জীবনানন্দ স্মৃতি পুরস্কার (১৯৭২)
কাজী মোতাহার হোসেন সাহিত্য পুরস্কার (১৯৭৬)
কবি জসীম উদ্দিন পুরস্কার
ফিলিপস সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৬)
একুশে পদক (১৯৮৬)
নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৯০)
ভানুসিংহ সম্মাননা পদক (২০০৪)
লালন পুরস্কার (২০১১)

১১ জুলাই ১৯৩৬ সালে  ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার মোড়াইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন কবি আল মাহমুদ। উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনারত অবস্থায়ই তিনি লেখালেখি শুরু করেছিলেন। মাত্র আঠারো বছর বয়সেই তার কবিতা প্রকাশ পাওয়া শুরু করে। লোক লোকান্তর কাব্যগ্রন্থ তাকে সর্বপ্রথম জায়গা দেয় স্বনামধন্য কবিদের জায়গায়। পরবর্তীতে তাকে আর কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।

২০১৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে ৮২ বছর বয়সে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন

Weather

Dinajpur
clear sky
15.4 ° C
15.4 °
15.4 °
79 %
1.3kmh
0 %
Mon
15 °
Tue
27 °
Wed
28 °
Thu
28 °
Fri
30 °