পহেলা বৈশাখের রাতে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

0
67

পহেলা বৈশাখে বগুড়ায় বিএনপির এক নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে অজ্ঞাতরা। পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে ঘাতকদের শনাক্তের চেষ্টা করছিলেন।

রবিবার (১৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ৫-৭ জনের দুর্বৃত্ত উপ-শহর বাজার এলাকায় তাকে কুপিয়ে ফেলে যায়।

নিহত বিএনপি নেতার নাম মাহবুব আলম শাহীন (৫৫)। তিনি বগুড়া সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও পেশায় আইনজীবী। তার বাড়ি উপশহরের ধরমপুর এলাকায় ও তার পরিবহন ব্যবসা ছিল।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রাত ১১টার দিকে শহরের নিশিন্দারার হাউজিং এস্টেট এলাকার একটি শরীর চর্চা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে বাসায় ফিরছিলেন শাহীন। পথে উপশহর বাজার এলাকায় ১০তলা বিল্ডিংয়ের সামনে পৌঁছলে ৪-৫ জন দুর্বৃত্ত তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে শাহীন আগেই মারা গেছেন।

খবর শুনে জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও হাসপাতালে লাশ দেখতে যান।

হামলার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঁঞা ও বগুড়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী। তারা জানান, এই হত্যাকাণ্ডের কারণ প্রাথমিকভাবে বলা যাচ্ছে না, তবে পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী বলেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

বিএনপি নেতা শাহীনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে বলেও জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম শাহীন হত্যার খবর পেয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীন চাঁন শজিমেক হাসপাতালে যান। তার এ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলম্বে ঘাতকদের চিহ্নিত এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। অন্যথায় তারা আন্দোলন গড়ে তুলবেন বলে জানিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here