ছবিটা আমাকে কাঁদিয়েছে: ইউসুফ আহমাদ

0
256
ছবিটা আমাকে কাঁদিয়েছে

Yusuf Ahmad

কি অপরাধ ছিল এই ত্বলাবাদের? আছে কি কারো কাছে আমার এই প্রশ্নের জবাব? যদি প্রশ্নের জবাব নাই থাকে তাহলে কেন ওইদিন সা’দপন্থীদের হামলা প্রতিহত করতে ঢাকার ওলামায়ে কেরাম ইজতিমাস্থলে উপস্থিত না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করায় ব্যাস্ত সময় পার করলেন? আর কতো? আর কতো? নিরবে মার খাবো আমরা? এখনই সময় হুংকার দিয়ে ত্বাকবীর ধনিতে বাতিলের হৃদে কম্পন সৃষ্টি করার। সময় বার বার আসেনা। আমরা কিন্তু বারবারই মার খাচ্ছি বিশ্ববাসির সামনে কাদ ধরছি । আর মার খেতে চাইনা, চাইনা বিশ্ববাসির সামনে কান ধরে পথ চলতে। এর পরও কেমন করে মুসলিম ঘরের কোনে বসে থাকে? কেমনে খানকায় নির্জনে বসে জিকিরে আশক্ত থাকে পীড় সাহেবরা? ধিক্কার জানাই তোমার মত খানকার পীড়কে,ধিক্কার জানাই আলেম রুপি পুজিবাদি স্বার্থান্বেষী অমানুষ হায়েনা গুলোকে ও। হক্ব বাতিলের লড়াইয়ে কিছু স্বার্থান্বেষী থাকবে এটাই স্বাভাবিক। তবে ওই স্বার্থান্বেষীদের শনাক্ত করে বাতিলের আগে ওদের বিচার আগে করা দরকার।

এই মুহুর্তে একজন আমিনী অথবা শাইখুল হাদীসের খুব বেশি প্রয়োজন। আমরা বাঙ্গালী মুসলিমরা আজ বড্ড অসহায় হয়ে পড়েছি। আমাদের মাথার উপর কোন ছায়া নেই। আছে যারা তারাও সর্বোক্ষণ স্বার্থের ধান্দা করে । এদের মধ্যে জাতির কান্ডারি যাও দুই একজন আছে, তারাও কথা বলতে পারেনা স্বার্থান্বেষীদের চাপে। আজ বাঙ্গালী মুসলিমরা মেরুদণ্ডহীন জাতীতে পরিনত হয়েছে। একতা আমাদের হতে বিদায় নিয়েছে অনেক আগেই। আমরা সর্বোক্ষণ ঐক্যের ডাক দিয়ে যাই ঠিকই কিন্তু আমাদের (ওলামা) ধন্যেই ঐক্য নাই। প্রতিহিংসা ক্ষমতার আর গদির মোহে পড়ে আমরা আমাদের ঐক্য হারিয়েছি ১৯৮১-র প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর থেকেই। সেই যে ভাঙ্গণ শুরু হয়েছিল আজ পর্যন্ত ও ভাঙ্গণ অব্যহত রয়েছে। নতুন নতুন ইসলামিক দল হচ্ছে, নতুন নতুন নেতা হচ্ছে। শুধু আমাদের (ওলামা) নিতিহিনতার কারণে। ২০১৮ তে এসেও আমরা আমাদের ঐক্য ফিরিয়ে আনতে পারিনি। আর কোনদিন আমাদের (ওলামা) মধ্যে ঐক্য ফিরে আসবে বলে ও মনে হয়না।

নেতায় ভরে গেছে আমাদের ক্বাওমীঘরানা রাজনৈতিক অঙ্গণ। দুই একটা মিছিলে গলা ফাঁটিয়ে দুই চারটা শ্লোগান দিতে পারলেই নেতা হয়ে যায়। এমন নেতা নিহিন হবেনা তো কে নিতিহিন হবে? আরে ভাই নেতা হওয়া যদি এত সহজই হতো তাহলে ১৭ কোটির বাংলায় সবাই নেতা হতো। সেলফিবাজ নেতা ইদানিং ক্বাওমীয়াঙ্গনেও দেখা যাচ্ছে। মিছিলের শুরুতে এসে মিছিলের সামনে সারিতে দাড়িয়ে কয়েকটা সেলফি উঠিঢে নেতাজী উধাও হয়ে যায়। কেউ কেউ তো আবার মিছিলেও আসেনা। মিছিলের শুরুতে জনতার সামনে দাড়িয়ে সেলফি নিয়ে প্রোগ্রাম আছে বলে চলে যায়। আচ্ছা এমন নেতার নিতি নস্ট হবেনা তো কোন নেতার নিতি নস্টো হবে? আমাদের পুর্ব পুরুষদের জীবনি পড়ে দেখুন তারা কি করত। এখনও বাংলার বুকে কিছু সিংহ পুরুষ আছে। যদের প্রতি আমার ও আমাদে আত্ব বিশ্বাস আছে। তাদের প্রতি আমার অনুরোধ রইল। হুজুর আমাদের ময়দানে ডাক দিয়ে আপনারা অন্তত পিছনে দৌড় দিয়েন না। তাহলে আমাদের আর মাথা গুজার আশ্রয়টুকু ও থাকবেনা।

ধিক্কার সেলফিবাজ নেতাদের
ধিক্কার স্বার্থান্বেষী নেতাদের

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here